দেশের সেরা শিশু বিশেষজ্ঞ ডাক্তারদের তথ্য জনুন।
শিশুর পায়খানা কষা হলে করণীয়
shishur paikhana na hole koronio
হঠাৎ শিশুর বমি হলে কী করবেন
ডা. তানজিয়া খানম তম্পার পরামর্শ
প্রিয় পাঠক, কেমন আছেন? আপনাদের সবাইকে মাহে রমজানের শুভেচ্ছা| আপনাদের
জন্যে এই রমজানে একটি স্বাস্থ্যকর পানীয়র রেসিপি নিয়ে আসলাম| এটি হচ্ছে—পুদিনা লাচ্ছি|
আমরা সচরাচর পান করি মিষ্টি লাচ্ছি| এছাড়া সল্টেড লাচ্ছিও পান করি| এছাড়া আর যে রকম লাচ্ছি পান করি তা হলো: লেমন, ম্যাঙ্গো লাচ্ছি ইত্যাদি| কিন্তু পুদিনা দিয়ে লাচ্ছি একটু অন্যরকম| টক দই একটি probiotic,যা হজমের জন্য খুবই ভালো| টক দই এর উপকারিতা এর আগে বলা হয়েছে| এই লাচ্ছিতে টক দইয়ের সাথে পুদিনা পাতা ব্যবহার করা হয়েছে| পুদিনা পাতা একটি হার্ব, যা শরীরের জন্য ও হজমের জন্য খুবই ভালো|শরীর ঠান্ডা করতে এক জুড়ি নেই| সেই সাথে টক দই মিলে হজমের জন্য আরো ভালো| সারাদিন রোজা রেখে এই লাচ্ছি পান করলে হজমের সব সমস্যা দূর হয়ে যাবে|
পুদিনা পাতা একটি প্রাণ জুড়ানো, সতেজ কারক হার্ব| পুদিনা পাতার গন্ধ নাকে আসলেই মন সতেজ হয়ে যায়| এটি পাকস্থলীর সমস্যা:যেমন: বদহজম, IBS(Irritable Bowel Syndrome), heartburn ইত্যাদি দূর করতে সাহায্য করে| Intestine এর মাসেল রিল্যাক্স করে, গ্যাস হওয়া থেকে রক্ষা করে ও হজম শক্তি বাড়ায়| মাথা ব্যথা কমায় | ত্বকের জন্যেও এটি খুবই উপকারী| কফ ও Asthma দূর করতে এটি খুব কাজে দেয়| এটি আন্টি ক্যান্সার বা ক্যান্সার রোধী| এটি আমাদের দাঁত ও মুখের জন্যও খুবই ভালো| এছাড়া পুদিনা immune system শক্তিশালী করে| কারণ এতে কিছু পুষ্টি উপাদান, যেমন: phosphorus, calcium, vitamin C, D, E, এবং অল্প vitamin B complex আছে| এটি আমাদের শরীরকে infections ও inflammations হতে রক্ষা করে| এটি ফাঙ্গাস ও ব্যাকটেরিয়া হতেও আমাদের শরীরকে রক্ষা করে|
তাই এত গুনের পুদিনা সম্বলিত লাচ্ছির রেসিপিটি জেনে নিন:-
উপকরণ:
টক দই –২ কাপ
পুদিনা পাতা কুচি – এক গুচ্ছ
বিট লবন –১/২ চা চামচ
চিনি –পরিমানমতো বা জিরোক্যাল এক প্যাকেট
জিরাগুড়া–এক চা চামচ
পানি-১/২ কাপ
পুদিনা পাতা –সাজানোর জন্য
প্রস্তুত প্রণালী: সব উপকরণ ব্লেন্ডারে নিয়ে ভালো মতো ব্লেন্ড করুন| তারপর ফ্রিজে রেখে উপরে পুদিনা পাতা দিয়ে সাজিয়ে পরিবেশন করুন রিফ্রেশিং পুদিনা লাচ্ছি|
মিষ্টি লাচ্ছি না চাইলে চিনি বাদ দিতে পারেন| ঝাল খেতে চাইলে কাঁচামরিচ দিতে পারেন| বিট লবন বেশি চাইলে তাও দিতে পারেন|বিট লবনের পরিবর্তে লবনও দেয়া যায়|
এই পানীয়টি তৈরী করে পান করে দেখুন কেমন লাগে| অবশ্যই তৃষ্ণা নিবারক ও সতেজ কারক| আর রোজার দিনে পানি শুন্যতা ও হজমের সমস্যা দূর করতে তো এর জুড়ি নেই|
রোজার দিনে ক্ষুধার চাইতে তৃষ্ণাই বেশি লাগে| তাই একটি পানীয়ের রেসিপি আপনাদের জন্য দিলাম| কেমন লাগলো জানাবেন|
রমজানে সবার সু স্বাস্থ্য কামনা করি| এই রমজানে ইবাতদ বন্দেগির পাশাপাশি নিজের শরীরের দিকেও মনোযোগ দিন| তাই রমজানে খাবার দাবার খাবেন কিভাবে জানতে ক্লিক করুন| রমজানে কিভাবে শরীর চর্চা করবেন জানতে ক্লিক করুন|
এই রেসিপিটি ভালো লাগলে আপনার বন্ধুর সাথে শেয়ার করুন|
ফেলনা চা-পাতা ও টি ব্যাগগুলোই আপনার অর্থ সাশ্রয় করবে প্রতিদিন চা তৈরির পর কী করেন? নিঃসন্দেহে চা-পাতা ফেলে দেন। আজ থেকে চা তৈরির পর টি ব্যাগ বা চা-পাতা গুলো ফেলে না দিয়ে বরং ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে শুকিয়ে রাখুন। কেন? কারণ এই ফেলনা চা-পাতা ও টি ব্যাগগুলোই আপনার অর্থ সাশ্রয় করবে প্রতিদিন। জেনে নিন কেন ব্যবহার করা চা-পাতা ফেলে না দিয়ে ব্যবহার করা যায় দারুণ সব কাজে আর বাঁচানো যায় সময়-অর্থ সবই!
১) পোকা কামড় দিয়েছে বা পুড়ে গিয়েছে কোথাও? একটা ব্যবহৃত টি ব্যাগ ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে আক্রান্ত স্থানে লাগিয়ে রাখুন। সব যন্ত্রণা নিমিষেই শেষ হয়ে যাবে। চোখের ফোলা ভাব দূর করতেও এটা দারুণ কাজে দেয়। পাতলা কাপড়ে চা পাতা বেঁধে পুঁটলি করেও ব্যবহার করতে পারেন।
২) ব্যবহৃত চা-পাতা ধুয়ে শুকিয়ে রাখুন। তারপর আপনার জুতোর মাঝে বা জুতোর আলমারিতে রেখে দিন। ঘামের বাজে গন্ধ আর কখনোই জুতোতে হবে না। টি ব্যাগও রাখতে পারেন।
৩) প্রতিদিনের ব্যবহৃত টি ব্যাগ রেখে দিন ফ্রিজে। চা-পাতা হলে টিস্যুতে মুড়ে রাখুন। ফ্রিজ থাকবে সতেজ ও পরিষ্কার, কোন রকম ফ্রেশনার ছাড়াই। এছাড়াও কয়েক ফোঁটা এসেনশিয়াল অয়েল ছিটিয়ে বাথরুমে, আলমারিতে রাখতে পারেন চা-পাতা বা টি ব্যাগ। রাখতে পারেন স্কুল কলেজে যাওয়ার কাপড়ের ব্যাগেও।
৪) তেল লাগানো চিটচিটে থালা বাসন বা হাঁড়ি পাতিল পরিষ্কার করতে চা-পাতার জুড়ি নেই। দামী ডিশ ওয়াসার বারের বদলে রাতের বেলা সিংকে পানি দিয়ে তাতে কিছু ব্যবহৃত চা-পাতা দিয়ে দিন। তেল চিটচিটে বাসন এতে ভিজিয়ে রাখুন। সকালে স্বাভাবিক ভাবেই ধুয়ে নিন। একদম ঝকঝকে হয়ে উঠবে।
৫) মাকড়সা এবং এই ধরণের ছোট পোকামাকড় চা খুবই অপছন্দ করে। ব্যবহৃত টি ব্যাগ বা চা পাতা ঘরের কোণায় কোণায় দিয়ে রাখুন, এরা থাকবে আপনার ঘর থেকে দূরে।
৬) গাছপালায় অনেক পোকামাকড়ের সমস্যা? ব্যবহৃত চা পাতা ধুয়ে গাছের গোঁড়ায় দিয়ে রাখুন। পোকামাকড় দূরে থাকবে, আবার গাছের সার হিসাবেও কাজ করবে।
৭) আধা ভেজা ব্যবহৃত চা পাতা কার্পেটে ছড়িয়ে দিন। সম্পূর্ণ শুকিয়ে গেলে ঝাড়ু দিয়ে ফেলুন বা ভ্যাকুয়াম ক্লিন করে নিন। বাজে গন্ধ ও ময়লা সব গায়েব।
৮) আপনার কাঠের আসবাবগুলো প্রায় শুকনো ব্যবহৃত ব্যাগ দিয়ে ঘষে নিন। চকচকে হয়ে উঠবে।
৯) জেসমিন টি বা এমন যে কোন ফ্লেভারের টি ব্যাগ ভাত রান্নার শেষ দিকে পাতিলে দিয়ে দিতে পারেন। মিষ্টি একটা গন্ধ হবে।
১০) গরম পানির মাঝে ফেলনা চা-পাতা দিয়ে পা ভিজিয়ে রাখুন। পায়ে
- এই ৬ নিয়ম মেনে চললেই হার্টের অসুখ কাছে ঘেঁষবে না!

হার্টের ব্যাপারে একটু বেশিই সাবধান থাকা বাঞ্ছনীয়। না হলে ব্যক্তি নিজে যেমন ভোগেন, তেমনই সমস্যায় পড়তে হয় বাড়ির লোককেও।
হার্টের ব্যাপারে একটু বেশিই সাবধান থাকা বাঞ্ছনীয়। না হলে ব্যক্তি নিজে যেমন ভোগেন, তেমনই সমস্যায় পড়তে হয় বাড়ির লোককেও।
- NEWS18 BENGALI
- LAST UPDATED : FEBRUARY 23, 2021, 11:28 IST
সমস্য়া হৃদয়ের হোক বা হৃদযন্ত্রের, হেলাফেলা করলে চলে না! তবে হার্টের ব্যাপারে একটু বেশিই সাবধান থাকা বাঞ্ছনীয়। না হলে ব্যক্তি নিজে যেমন ভোগেন, তেমনই সমস্যায় পড়তে হয় বাড়ির লোককেও। তাই দেখে নেওয়া যাক, কোন ৬ নিয়ম মেনে চললে হার্টের অসুখকে দূরে রাখা যায়!
১. রিস্ক ফ্যাক্টরটা জানা
হার্টের অসুখের ক্ষেত্রে রিস্ক ফ্যাক্টর বলে একটা ব্যাপার থাকে। যেমন কারও ক্ষেত্রে ধূমপান, কারও মদ্যপান, কারও কিডনির অসুখ, কারও বা বংশগত ভাবে এই রিস্ক ফ্যাক্টর থাকে। তাই ডাক্তার দেখিয়ে এই ব্যাপারটা জেনে রাখা প্রয়োজন।
২. সুষম খাদ্যগ্রহণ
সুষম খাদ্য বলতে দুধ নয়, এক্ষেত্রে হার্টের পক্ষে ভালো খাবার বুঝতে হবে। যেমন, গ্রিন ভেজিটেবলস, ফল, গোটা শস্য, বাদাম, উদ্ভিজ প্রোটিন, মাছ, পরিমিত পরিমাণে মাংস ডায়েটে রাখতে হবে। ছেঁটে ফেলতে হবে জাঙ্ক ফুড, সফ্ট ড্রিঙ্ক এবং ডায়েটে কার্বোহাইড্রেটের পরিমাণ।
৩. শরীরচর্চা
হার্ট ভালো রাখতে শরীরচর্চা বা কায়িক পরিশ্রম জরুরি। এক্ষেত্রে প্রতি সপ্তাহে নিদেনপক্ষে ১৫০ মিনিট অ্যারোবিক এক্সারসাইজ বা ৭৫ মিনিট ঘাম-ঝরানো এক্সারসাইজ করতেই হবে।
৪. ওজনের দিকে চোখ রাখা
বাড়তি ওজন হার্টের পক্ষে সব সময়েই ক্ষতিকর। তাই নিয়মিত ওজন মাপতে হবে। ওজন বেড়ে গেলে সেটা ঝরিয়ে ফেলতেই হবে, না হলে হার্টে চাপ পড়বে। সেই জন্যই বিশেষ করে এক্সারসাইজের পরামর্শ দেওয়া হয়ে থাকে।
৫. তামাক-বর্জিত জীবন
এ তো জানা কথাই- হার্ট ভালো রাখতে হলে তামাক-বর্জিত জীবনযাপন করতে হবে। ধূমপান বা তামাকজাত অন্য প্রোডাক্টের ব্যবহার বন্ধ করতে হবে। কমিয়ে দিতে হবে মদ্যপানের পরিমাণও। খেলেও সেই ব্যাপারে ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে, তিনিই ঠিক করে দেবেন কতটুকু খাওয়া যাবে।
৬. নিয়মিত চেক-আপ, ওষুধ খাওয়া
যদি ইতিমধ্যেই হার্টের অসুখ শরীরে বাসা বেঁধে থাকে, তাহলে নিয়ম করে চেক-আপ করাতে হবে, ডাক্তারের লিখে দেওয়া ওষুধ বন্ধ করা যাবে না। তাহলেই অনেকটা সুস্থ থাকা যাবে। না হলে ডাক্তারও বুঝতে পারবেন না যে কখন সমস্যার মুহূর্ত ঘনিয়ে আসছে!
খাবারে চিনি ছাড়া খেতে পারেন না? প্রতিদিনের পাতে একটা মিষ্টি অবশ্যই চাই। জানেন কি এতেই বাড়ছে হৃদরোগের ঝুঁকি। যে খাবারে বেশি চিনি, সেই খাবারেই পুষ্টি কম। টাইপ ২ ডায়াবিটিস থেকে অ্যাকনে, হৃদরোগ- সবের পিছনেই রয়েছে চিনি, এমনটা বললে ভুল হবে না। চিনি বা মিষ্টিজাতীয় খাবার অতিরিক্ত খেলে প্রভাব পড়বে হৃদযন্ত্রে। সতর্ক করছেন চিকিসৎক থেকে পুষ্টিবিদ।
বেশি পরিমাণে চিনি খেলে শরীরের ইনসুলিন হরমোন তা গ্রহণ করতে পারে না। অতিরিক্ত ক্যালোরি ফ্যাট হিসেবে মজুত হয়। অতিরিক্ত ফ্যাটে মেটাবলিক ডিসফাংশন এবং শরীরে এর ফলে ইনসুলিন রেসিস্ট্যান্স তৈরি হয়। অতিরিক্ত ওজনে বাড়ে হদরোগের সম্ভাবনা। চিনি বেশি পরিমাণে শরীরে গেলে হাই অ্যাবডমিনাল ফ্যাট তৈরি হয়। ক্ষতিকারক কোলেস্টরল উৎপাদনের পরিমাণ বাড়ে। যেগুলি রক্ত চলাচলে সমস্যা তৈরি করে । ব্লাড ভেসেলে রক্ত জমে । শরীরে রক্ত জমাটের সম্ভাবনা তৈরি করে । প্রভাব পড়ে হৃদযন্ত্রের কার্যকলাপে ।
ডায়েটে অতিরিক্ত চিনি থাকলে রক্তচাপ বৃদ্ধি পায় । হাইপারটেনশনের প্রভাব পড়ে হৃদপিণ্ডের স্বাভাবিক কার্যকলাপে । আগের তুলনায় দ্রুত রক্ত পাম্প করা শুরু করে হৃদযন্ত্র । ব্লাড ভেসেলের ক্ষতি হয় । বাড়ে স্ট্রোকের সম্ভাবনা । এই প্রসঙ্গে চিকিসৎক দেবব্রত রায় বলেন, চিনি বা অতিরিক্ত মিষ্টি খেলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমতে থাকে । ডায়াবিটিসের সম্ভাবনাও বাড়ে । প্রভাব পড়ে হৃদযন্ত্রে। তাই করোনা বা অন্য সংক্রামক রোগের সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায় । ডায়াবিটিস থাকলেই ইনসুলিন তৈরির পরিমাণ কমে যায়। করোনারি ব্লকেজের সম্ভাবনাও বেড়ে যাবে । হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনাও বাড়বে । হৃদপেশি সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হবে । পাম্পিং ফাংশনে সমস্যা হয়ে হার্ট ফেলিওর পর্যন্ত হতে পারে
Search This Blog
POPULAR POSTS
Categories
- Eye Care 1
- Health Tips 13
- Healthy Food 2
- Kids Food 2
- Kids Health 9
- Mental Tips 1



