Health Tips BD

Get health tips, latest health news, articles and studies on all health-related concerns, read the latest news related to health care and fitness.

Health Tips BD
  • Home
  • Fitness
  • Eye Care
  • Health Care
  • Health Tips
  • Healthy Food
  • Baby Care Tips
    • Kids Health
    • Kids Food


ফেলনা চা-পাতা ও টি ব্যাগগুলোই আপনার অর্থ সাশ্রয় করবে প্রতিদিন চা তৈরির পর কী করেন? নিঃসন্দেহে চা-পাতা ফেলে দেন। আজ থেকে চা তৈরির পর টি ব্যাগ বা চা-পাতা গুলো ফেলে না দিয়ে বরং ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে শুকিয়ে রাখুন। কেন? কারণ এই ফেলনা চা-পাতা ও টি ব্যাগগুলোই আপনার অর্থ সাশ্রয় করবে প্রতিদিন। জেনে নিন কেন ব্যবহার করা চা-পাতা ফেলে না দিয়ে ব্যবহার করা যায় দারুণ সব কাজে আর বাঁচানো যায় সময়-অর্থ সবই! 

১) পোকা কামড় দিয়েছে বা পুড়ে গিয়েছে কোথাও? একটা ব্যবহৃত টি ব্যাগ ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে আক্রান্ত স্থানে লাগিয়ে রাখুন। সব যন্ত্রণা নিমিষেই শেষ হয়ে যাবে। চোখের ফোলা ভাব দূর করতেও এটা দারুণ কাজে দেয়। পাতলা কাপড়ে চা পাতা বেঁধে পুঁটলি করেও ব্যবহার করতে পারেন।
২) ব্যবহৃত চা-পাতা ধুয়ে শুকিয়ে রাখুন। তারপর আপনার জুতোর মাঝে বা জুতোর আলমারিতে রেখে দিন। ঘামের বাজে গন্ধ আর কখনোই জুতোতে হবে না। টি ব্যাগও রাখতে পারেন।
৩) প্রতিদিনের ব্যবহৃত টি ব্যাগ রেখে দিন ফ্রিজে। চা-পাতা হলে টিস্যুতে মুড়ে রাখুন। ফ্রিজ থাকবে সতেজ ও পরিষ্কার, কোন রকম ফ্রেশনার ছাড়াই। এছাড়াও কয়েক ফোঁটা এসেনশিয়াল অয়েল ছিটিয়ে বাথরুমে, আলমারিতে রাখতে পারেন চা-পাতা বা টি ব্যাগ। রাখতে পারেন স্কুল কলেজে যাওয়ার কাপড়ের ব্যাগেও।
৪) তেল লাগানো চিটচিটে থালা বাসন বা হাঁড়ি পাতিল পরিষ্কার করতে চা-পাতার জুড়ি নেই। দামী ডিশ ওয়াসার বারের বদলে রাতের বেলা সিংকে পানি দিয়ে তাতে কিছু ব্যবহৃত চা-পাতা দিয়ে দিন। তেল চিটচিটে বাসন এতে ভিজিয়ে রাখুন। সকালে স্বাভাবিক ভাবেই ধুয়ে নিন। একদম ঝকঝকে হয়ে উঠবে।
৫) মাকড়সা এবং এই ধরণের ছোট পোকামাকড় চা খুবই অপছন্দ করে। ব্যবহৃত টি ব্যাগ বা চা পাতা ঘরের কোণায় কোণায় দিয়ে রাখুন, এরা থাকবে আপনার ঘর থেকে দূরে।
৬) গাছপালায় অনেক পোকামাকড়ের সমস্যা? ব্যবহৃত চা পাতা ধুয়ে গাছের গোঁড়ায় দিয়ে রাখুন। পোকামাকড় দূরে থাকবে, আবার গাছের সার হিসাবেও কাজ করবে।
৭) আধা ভেজা ব্যবহৃত চা পাতা কার্পেটে ছড়িয়ে দিন। সম্পূর্ণ শুকিয়ে গেলে ঝাড়ু দিয়ে ফেলুন বা ভ্যাকুয়াম ক্লিন করে নিন। বাজে গন্ধ ও ময়লা সব গায়েব।
৮) আপনার কাঠের আসবাবগুলো প্রায় শুকনো ব্যবহৃত ব্যাগ দিয়ে ঘষে নিন। চকচকে হয়ে উঠবে।
৯) জেসমিন টি বা এমন যে কোন ফ্লেভারের টি ব্যাগ ভাত রান্নার শেষ দিকে পাতিলে দিয়ে দিতে পারেন। মিষ্টি একটা গন্ধ হবে।
১০) গরম পানির মাঝে ফেলনা চা-পাতা দিয়ে পা ভিজিয়ে রাখুন। পায়ে




  • এই ৬ নিয়ম মেনে চললেই হার্টের অসুখ কাছে ঘেঁষবে না!
এই ৬ নিয়ম মেনে চললেই হার্টের অসুখ কাছে ঘেঁষবে না!
হার্টের ব্যাপারে একটু বেশিই সাবধান থাকা বাঞ্ছনীয়। না হলে ব্যক্তি নিজে যেমন ভোগেন, তেমনই সমস্যায় পড়তে হয় বাড়ির লোককেও।

হার্টের ব্যাপারে একটু বেশিই সাবধান থাকা বাঞ্ছনীয়। না হলে ব্যক্তি নিজে যেমন ভোগেন, তেমনই সমস্যায় পড়তে হয় বাড়ির লোককেও।

  • NEWS18 BENGALI
  • LAST UPDATED : FEBRUARY 23, 2021, 11:28 IST
  • SHARE THIS:
  • Bengali

সমস্য়া হৃদয়ের হোক বা হৃদযন্ত্রের, হেলাফেলা করলে চলে না! তবে হার্টের ব্যাপারে একটু বেশিই সাবধান থাকা বাঞ্ছনীয়। না হলে ব্যক্তি নিজে যেমন ভোগেন, তেমনই সমস্যায় পড়তে হয় বাড়ির লোককেও। তাই দেখে নেওয়া যাক, কোন ৬ নিয়ম মেনে চললে হার্টের অসুখকে দূরে রাখা যায়!

১. রিস্ক ফ্যাক্টরটা জানা

হার্টের অসুখের ক্ষেত্রে রিস্ক ফ্যাক্টর বলে একটা ব্যাপার থাকে। যেমন কারও ক্ষেত্রে ধূমপান, কারও মদ্যপান, কারও কিডনির অসুখ, কারও বা বংশগত ভাবে এই রিস্ক ফ্যাক্টর থাকে। তাই ডাক্তার দেখিয়ে এই ব্যাপারটা জেনে রাখা প্রয়োজন।


২. সুষম খাদ্যগ্রহণ

সুষম খাদ্য বলতে দুধ নয়, এক্ষেত্রে হার্টের পক্ষে ভালো খাবার বুঝতে হবে। যেমন, গ্রিন ভেজিটেবলস, ফল, গোটা শস্য, বাদাম, উদ্ভিজ প্রোটিন, মাছ, পরিমিত পরিমাণে মাংস ডায়েটে রাখতে হবে। ছেঁটে ফেলতে হবে জাঙ্ক ফুড, সফ্ট ড্রিঙ্ক এবং ডায়েটে কার্বোহাইড্রেটের পরিমাণ।

৩. শরীরচর্চা

হার্ট ভালো রাখতে শরীরচর্চা বা কায়িক পরিশ্রম জরুরি। এক্ষেত্রে প্রতি সপ্তাহে নিদেনপক্ষে ১৫০ মিনিট অ্যারোবিক এক্সারসাইজ বা ৭৫ মিনিট ঘাম-ঝরানো এক্সারসাইজ করতেই হবে।

৪. ওজনের দিকে চোখ রাখা

বাড়তি ওজন হার্টের পক্ষে সব সময়েই ক্ষতিকর। তাই নিয়মিত ওজন মাপতে হবে। ওজন বেড়ে গেলে সেটা ঝরিয়ে ফেলতেই হবে, না হলে হার্টে চাপ পড়বে। সেই জন্যই বিশেষ করে এক্সারসাইজের পরামর্শ দেওয়া হয়ে থাকে।

৫. তামাক-বর্জিত জীবন

এ তো জানা কথাই- হার্ট ভালো রাখতে হলে তামাক-বর্জিত জীবনযাপন করতে হবে। ধূমপান বা তামাকজাত অন্য প্রোডাক্টের ব্যবহার বন্ধ করতে হবে। কমিয়ে দিতে হবে মদ্যপানের পরিমাণও। খেলেও সেই ব্যাপারে ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে, তিনিই ঠিক করে দেবেন কতটুকু খাওয়া যাবে।

৬. নিয়মিত চেক-আপ, ওষুধ খাওয়া

যদি ইতিমধ্যেই হার্টের অসুখ শরীরে বাসা বেঁধে থাকে, তাহলে নিয়ম করে চেক-আপ করাতে হবে, ডাক্তারের লিখে দেওয়া ওষুধ বন্ধ করা যাবে না। তাহলেই অনেকটা সুস্থ থাকা যাবে। না হলে ডাক্তারও বুঝতে পারবেন না যে কখন সমস্যার মুহূর্ত ঘনিয়ে আসছে!

 খাবারে চিনি ছাড়া খেতে পারেন না? প্রতিদিনের পাতে একটা মিষ্টি অবশ্যই চাই। জানেন কি এতেই বাড়ছে হৃদরোগের ঝুঁকি। যে খাবারে বেশি চিনি, সেই খাবারেই পুষ্টি কম। টাইপ ২ ডায়াবিটিস থেকে অ্যাকনে, হৃদরোগ- সবের পিছনেই রয়েছে চিনি, এমনটা বললে ভুল হবে না। চিনি বা মিষ্টিজাতীয় খাবার অতিরিক্ত খেলে প্রভাব পড়বে হৃদযন্ত্রে। সতর্ক করছেন চিকিসৎক থেকে পুষ্টিবিদ।

বেশি পরিমাণে চিনি খেলে শরীরের ইনসুলিন হরমোন তা গ্রহণ করতে পারে না। অতিরিক্ত ক্যালোরি ফ্যাট হিসেবে মজুত হয়। অতিরিক্ত ফ্যাটে মেটাবলিক ডিসফাংশন এবং শরীরে এর ফলে ইনসুলিন রেসিস্ট্যান্স তৈরি হয়। অতিরিক্ত ওজনে বাড়ে হদরোগের সম্ভাবনা। চিনি বেশি পরিমাণে শরীরে গেলে হাই অ্যাবডমিনাল ফ্যাট তৈরি হয়। ক্ষতিকারক কোলেস্টরল উৎপাদনের পরিমাণ বাড়ে। যেগুলি রক্ত চলাচলে সমস্যা তৈরি করে । ব্লাড ভেসেলে রক্ত জমে । শরীরে রক্ত জমাটের সম্ভাবনা তৈরি করে । প্রভাব পড়ে হৃদযন্ত্রের কার্যকলাপে ।



ডায়েটে অতিরিক্ত চিনি থাকলে রক্তচাপ বৃদ্ধি পায় । হাইপারটেনশনের প্রভাব পড়ে হৃদপিণ্ডের স্বাভাবিক কার্যকলাপে । আগের তুলনায় দ্রুত রক্ত পাম্প করা শুরু করে হৃদযন্ত্র । ব্লাড ভেসেলের ক্ষতি হয় । বাড়ে স্ট্রোকের সম্ভাবনা । এই প্রসঙ্গে চিকিসৎক দেবব্রত রায় বলেন, চিনি বা অতিরিক্ত মিষ্টি খেলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমতে থাকে । ডায়াবিটিসের সম্ভাবনাও বাড়ে । প্রভাব পড়ে হৃদযন্ত্রে। তাই করোনা বা অন্য সংক্রামক রোগের সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায় । ডায়াবিটিস থাকলেই ইনসুলিন তৈরির পরিমাণ কমে যায়। করোনারি ব্লকেজের সম্ভাবনাও বেড়ে যাবে । হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনাও বাড়বে । হৃদপেশি সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হবে । পাম্পিং ফাংশনে সমস্যা হয়ে হার্ট ফেলিওর পর্যন্ত হতে পারে

 

নানা ব্যস্ততার কারণে আমরা নিজেদের শরীরের দিকে নজর দিতে পারি না। দিন দিন এই অবহেলাই বিপদের দিকে টেনে নিয়ে যায় আমাদের। এরকমই এক বিপদের নাম ক্যান্সার। তবে খাদ্য তালিকায় প্রতিদিন যদি পুষ্টিগুণ সম্পন্ন সবজি রাখা যায়, তাহলে খুব সহজেই এই মরণ রোগ থেকে দূরে রাখা যায় নিজেকে ৷

রসুন:
অনেক গবেষণায় দেখা গেছে যারা রসুন খান তাদের ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা অনেক কম থাকে। এটি ক্যান্সারের জীবাণু প্রতিরোধ করে। এমনকি কিছু ক্যান্সারের জীবাণু ভেঙে ফেলে। তাই প্রতিদিন একটি খোয়া রসুন খান, এটি আপনার ভেতরের ক্যান্সারকে প্রতিরোধ করবে।

গাজর:
গাজর অনেক পুষ্টিগুণ ও ভিটামিনে ভরপুর খাদ্য। গাজরে প্রচুর পরিমাণে বিটা ক্যারটিন আছে যা বিভিন্ন ক্যান্সার যেমন ফুসফুস ক্যান্সার, শ্বাসনালী ক্যান্সার, পাকস্থলী ক্যান্সার, অন্ত্র ক্যান্সার এমনকী, স্তন ক্যান্সার প্রতিরোধ করে থাকে। প্রতিদিন একটি গাজর বা এক গ্লাস গাজরের রস পান করলে এই সকল ক্যান্সার প্রতিরোধ করা সম্ভব।
টমেটো:
টমেটো হচ্ছে “নিউট্রিশনাল পাওয়ারহাউজ” যা ক্যান্সারের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে পারে। টমেটোতে লাইকোপেন নামের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে যা হৃদরোগ প্রতিরোধেও সাহায্য করে থাকে। টমেটোতে ভিটামিন এ, সি, এবং ই থাকে যা কিনা ক্যান্সার বান্ধব মৌলের শত্রু। টমেটোর রস ক্ষতিকর ডিএনএ এর কোষ নষ্ট করে ফেলে। তাই সপ্তাহে ২ থেকে ৩ টি টমেটো খাদ্য তালিকায় রাখা উচিত।


হলুদ:
আমেরিকান ক্যান্সার সোসাইটি এক গবেষণায় বলা হয়েছে হলুদে ‘কারকিউমিন’ নামক উপাদান আছে যা ক্যান্সার প্রতিরোধ করে থাকে। এছাড়া এটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা দেহের টিস্যুর মধ্যে প্রবেশ করে ভেতর থেকে দেহকে ক্যান্সার প্রতিরোধী করে তোলে। প্রতিদিন কাঁচা হলুদের দুধ, বা মাছ ও মাংসের মত তরকারিতে প্রয়োজন মত হলুদ ব্যবহার করতে পারেন। হলুদ ক্যান্সার কোষকে শরীরের ভাল কোষকে নষ্ট করতে বাধা দেয় এবং ক্যান্সার কোষকে নিস্তেজ করতে সাহায্য করে। সুতরাং নিয়মিত খাদ্যের মধ্যে হলুদ খেতে চেষ্টা করবেন।


গ্রিন টি:
গ্রিন টি বা সবুজ চা ক্যান্সার প্রতিরোধে অনেক উপকারি। এই সবুজ চায়ে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ক্যাটচীন নামক উপাদান থাকে, যা বিভিন্ন ক্যান্সার প্রতিরোধ করতে সক্ষম। গবেষণায় আরো দেখা গেছে গ্রিন টি টিউমার হওয়া প্রতিরোধ করে থাকে। সাধারণ চায়ের চেয়ে গ্রিন টি বেশি উপকারি। তাই চা না খেয়ে গ্রিন টি বা সবুজ চা খেতে পারেন।

 


গাইডলাইন ও নীতিমালাসমূহ

-কোভিড-১৯ সম্পর্কিত জাতীয় গাইডলাইনসমূহ:

  • জাতীয় কোভিড-১৯ চিকিৎসা ব্যবস্থাপনা গাইডলাইন
  • জাতীয় হাসপাতাল সংক্রমন নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ গাইডলাইন
  • কোভিড -১৯ মহামারী এর সামাজিক ও প্রাতিষ্ঠানিক সংক্রমন প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণের কারিগরি নির্দেশনা
  • কোভিড-১৯ প্রাদুর্ভাবের সময় মা,নবজাতক ও শিশু স্বাস্থ্য সেবা বিষয়ক জাতীয় গাইডলাইন   
  • কোভিড-১৯ ও ডায়াবেটিস বিষয়ক গাইডলাইন 
  • কোভিড-১৯ প্রাদুর্ভাবের সময় হৃদরোগের চিকিৎসা ব্যবস্থাপনা গাইডলাইন
  • মারাত্বক অসুস্থ কোভিড-১৯ রোগীদের চিকিৎসা বিষয়ক গাইডলাইন
  • কোভিড-১৯ এনেস্থেশিয়া এবং ICU ব্যবস্থাপনা গাইডলাইন
  • কোভিড -১৯ সংক্রমণ ঝুঁকি বিবেচনায় জোন ভিত্তিক সংযমন (Containment) ব্যবস্থা বাস্তবায়ন কৌশল/গাইডলাইন 

-কোভিড-১৯ সম্পর্কিত অন্যান্য নির্দেশিকা সমূহ:

  • সর্বসাধারণের জন্য কাপড়ের মাস্ক ব্যবহারের উপকারীতা এবং কাপড়ের মাস্ক তৈরীর নিয়মাবলী
  • মাস্ক পরা, ব্যবহার করা, খুলে ফেলা এবং নিস্পত্তি/ধ্বংস করার পদ্ধতি
  • কোভিড-১৯ এ মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ক গাইডলাইন
  • বিশ্বজুড়ে কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত শিশুদের জন্য লেখা বই "তুমি আমার আদর্শ"
  • কোভিড-১৯ কারিগরি কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীকে হাসপাতাল হতে ছাড়পত্র দেয়ার শর্তসমূহ
  • কোভিড-১৯ প্যারেন্টিং
  • অটিজম এর বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন শিশুদের করোনা ভাইরাস সংক্রমণ থেকে নিরাপদ রাখতে কি করবেন
  • এই মহামারীর সময় শিশুদের জন্য কি করবেন
  • প্রবীণ অথবা দীর্ঘমেয়াদি রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের সাহায্য করার উপায়
  • করোনা (COVID-19) সংক্রমন কালীন সময়ে মন ভালো রাখার উপায় - “ঘরে থাকুন ভালো থাকুন”
  • কোভিড-১৯ এর প্রাদুর্ভাবকালীন সময়ে মনো-সামাজিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের বিবেচ্য বিষয়সমূহ
  • করোনা (COVID-19) নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে Personal Protective Equipment (PPE) এর যুক্তিসংগত ব্যবহার।
  • করোনা (COVID-19) জীবানুমুক্তকরন এবং পরিবেশগত সংক্রমণ রোধ সংক্রান্ত নির্দেশনা
  • করোনা (COVID -19) রোগে‍ মৃতব্যক্তির মৃতদেহ নিরাপদ ভাবে দাফন/ সৎকার/ ব্যবস্থাপনার নির্দেশনা বা স্ট্যার্ন্ডাড অপারেটিং প্রসেজিওর (SOP)
  • করোনা (COVID-19) রোগে মৃতব্যক্তির মৃতদেহ দাফন/সৎকার বিষয়ক প্রনীত গাইডলাইন/SOP নতুন নির্দেশনা সমূহ
  • করোনা (COVID-19) মানসিক চাপমুক্ত থাকতে বড়দের জন্য গাইডলাইন
  • করোনা (COVID-19) মানসিক চাপমুক্ত থাকতে ছোটদের জন্য গাইডলাইন 
  • কোভিড-১৯ প্রাদুর্ভাবের সময় প্রতিবন্ধীদের জন্যে বিবেচ্য বিষয়সমূহ
  • করোনা (COVID-19) এর জন্য  হাসপাতাল বর্জ্য ব্যবস্থাপনা
  • করোনা (COVID-19) এর জন্য বিমানবন্দর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা
  • করোনা মোকাবেলায় জীবানুনাশক দ্রবণ তৈরির নিয়ম।
  • বিশ্বজুড়ে করোনা (COVID-19) প্রতিরোধে গর্ভবতী মা ও পরিবারের করনীয়।
  • করোনা (COVID-19) সংক্রান্ত কুসংষ্কার দূরীকরণ
  • করোনা (COVID-19) কেইস ডেফিনেশন
  • কোভিড-১৯ এবং সামজিক কুসংস্কার বা সোশ্যাল স্টিগমা
  • করোনা ভাইরাস রোগ/ কোভিড - ১৯ আক্রান্ত ব্যক্তিদের সংস্পর্শে আসা সন্দেহে থাকা ব্যক্তিদের কোয়ারেন্টিন সম্পর্কে জ্ঞাতব্য
  • COVID-19 আক্রান্ত সন্দেহজনক রোগী যার মৃদু সংক্রমণ রয়েছে, এবং COVID-19 আক্রান্ত রোগী যার আর হাসপাতালে থাকার প্রয়োজন নেই তাদের জন্য নির্দেশনা।
  • বিশ্বব্যাপী কোভিড-১৯ প্যান্ডেমিক চলাকলীন সময়ে টিকাদান কর্মসূচী পরিচালনার নিয়মাবলী

-অন্যান্য গাইডলাইনসমূহ:

  • জরুরী প্রসূতি সেবা গাইডলাইন ২০১৯
  • DHIS-2 ডাটা এন্ট্রি ফর্ম সংক্রান্ত নির্দেশনা 
  • DHIS-2 এ ডাটা প্রদান সম্পর্কিত নির্দেশিকা
  • সিএইচসিপিদের ই-মেইল সম্পর্কিত নির্দেশিকা
  • DHIS-2 এ প্রোফাইল হালনাগাদকরণ সম্পর্কিত নির্দেশিকা
  • আইসিটি ফোকাল পার্সন গাইডলাইন
  • জাতীয় স্বাস্থ্য নীতি ২০১১
  • জাতীয় আইসিটি নীতি ২০০৯
  • ন্যাশনাল নিওন্যাটাল হেলথ স্ট্রাটেজি অ্যান্ড গাইডলাইন ফর বাংলাদেশ 
  • ন্যাশনাল গাইডলাইন অন এমবিটি ২০১০
  • আইসিডি-১০
  • সিএইচসিপি কম্পিউটার প্রশিক্ষণ সহায়িকা
  • স্বাস্থ্য সহকারীর ট্যাবলেট প্রশিক্ষণ সহায়িকা ২০১৩
  • স্বাস্থ্য সহকারীর ট্যাবলেট প্রশিক্ষণ সহায়িকা ২০১৪
  • ক্লিনিক্যাল গাইডলাইন অন ইনফ্যান্ট অ্যান্ড ইয়াং চাইল্ড (আই ওয়াই সি এফ)
  • বাংলাদেশ CLUBFOOT সেবার জাতীয় কর্মকৌশল ও কর্মপরিকল্পনার গাইডলাইন।
  • ন্যাশনাল গাইডলাইন অন ক্লিনিক্যাল ম্যানেজমেন্ট অব চিকুনগুনিয়া ফেভার। 
  • রিভাইজড ম্যালেরিয়া ট্রিটমেন্ট রেজিমেন ২০১৭
  • MPDSR ন্যাশনাল গাইডলাইন
  • MPDSR পকেট নির্দেশিকা
  • MPDSR ট্রেইনারদের ট্রেইনিং ম্যানুয়াল
  • ন্যাশনাল গাইডলাইন ফর ক্লিনিক্যাল ম্যানেজমেন্ট অন ডেঙ্গু সিনড্রম
  • ডিফাইনিং ডিসএ্যাবিলিটিঃ ন্যাশনাল গাইডলাইন ফর মেডিকেল ডক্টরস এন্ড প্রাইমারি হেল্থ কেয়ার ওয়ার্কফোর্স
  • পকেট গাইডলাইন ‍ফর ডেঙ্গু কেস ম্যানেজমেন্ট ২০১৯
  • ইপিআই ই-ট্র্যাকার ব্যবহারের নির্দেশিকা
  • ন্যাশনাল স্ট্রাটেজি ফর ওয়াস ইন হেল্থ কেয়ার ফ্যাসিলিটিজ ২০১৯-২০২৩

ভ্যাকসিন নিয়ে প্রশ্ন? এই প্রতিবেদনে রয়েছে যাবতীয় তথ্য
১) কারা সেকেন্ড ফেজে করোনা ভ্যাকসিন পাবেন? 

প্রত্যেক দেশবাসী, যাঁদের বয়স ৬০-র ঊর্ধ্বে।
৪৫ থেকে ৫৯ পর্যন্ত যাঁদের বয়স, তারা যদি comorbidites হয়। 
যারা ভোটকর্মী হবেন এবং প্রথমসারির যে যে স্বাস্থ্য কর্মী এখনও ভ্যাকসিন গ্রহণ করেননি। 
২) কারা comorbidites-এর আওতায় পড়েছেন?

১) যাঁরা বিগত ১ বছর ধরে হৃদরোগে আক্রান্ত এবং হাসপাতালে ভর্তি। 

২) পোস্ট কার্ডিয়াক ট্রান্সপ্ল্যান্ট / বাম ভেন্ট্রিকুলার অ্যাসিস্ট ডিভাইস (LVAD)।   

৩) left ventricular systolic dysfunction (LVEF < 40%)।

৪) Moderate, severe valvular heart disease।

৫) গুরুতর পিএএইচ বা ইডিওপ্যাথিক পিএএইচ সহ জন্মগত হৃদরোগ।

৬) চিকিত্সার উপরের সিএবিজি / পিটিসিএ / এমআই এবং উচ্চ রক্তচাপ / ডায়াবেটিস সহ করোনারি আর্টারি রোগ।

  ৭) এনজিনা এবং হাইপার টেনশন / ডায়াবেটিসের চিকিত্সা।

৮) CT/MRI করার পর সেখানে যদি স্ট্রোক এবং উচ্চ রক্তচাপ / ডায়াবেটিস দেখা দেয় ও চিকিৎসা চলে।

  ৯) যাঁদের Pulmonary artery hypertension এবং hypertension/diabetes এর চিকিৎসা চলছে।

১০) যাদের ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে ডায়াবেটিস আছে, যার দরুণ নানা জটিলতা দেখা দিয়েছে শরীরে। 

  ১১) কিডনি / লিভার / হেমাটোপয়েটিক স্টেম সেল ট্রান্সপ্ল্যান্ট

১২) কিডনি প্রায় বিকল,  রয়েছে haemodialysis/CAPD

১৩) corticosteroids/immunosuppressant এর জন্য যাদের দীর্ঘদিন ধরে ওষুধ চলছে। 

  ১৪) Decompensated cirrhosis

১৫) যাদের শ্বাসকষ্ট জনিত কোনও রোগ আছে (FEVI <50%)।

১৬) Lymphoma/Leukaemia/Myeloma

  ১৭) ক্যান্সারে আক্রান্ত, কেমো থেরাপি চলছে।

১৮)  Cell Disease/Bone marrow failure/Aplastic Anemia/Thalassemia Major

১৯) HIV

 

৩) ভ্যাকসিন কি নিতেই হবে? 

উত্তর, ভ্যাকসিন নিলে আপনার শরীরের ইমিউনিটি ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে। দেশের প্রতিটি মানুষের শরীর থেকে কোভিড তাড়াতে, ভ্যাকসিন একমাত্র দাওয়াই। তাই দেশবাসীকে ভ্যাকসিন গ্রহণ করার জন্য আহ্বান জানিয়েছন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। 

৪) কোন ভ্যাকসিন প্রয়োগ করা হবে? ভ্যাকসিন কি বেছে নেওয়া সম্ভব?

উত্তর: Covishield এবং Covaxin, ভ্যাকসিন বেছে নিতে পারবেন না। 

৫) কতগুলি ডোজ লাগবে? 

উত্তর: ২৮ দিনের মাথায় ২ টি ডোজ পাবেন। ফোনে আপনাকে মেসেজ পাঠিয়ে দ্বিতীয় ডোজের দিন জানিয়ে দেওয়া হবে।  

৬) কোথা থেকে ভ্যাকসিন পাবেন? 

উত্তর: সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতাল থেকে নিতে পারবেন ভ্যাকসিন। তবে কোন কোন হাসপাতাল ভ্যাকসিন দিচ্ছে, সে সম্পর্কে অবগত হতে হবে। 

৭) নিজেকে ভ্যাকসিন নেওয়ার জন্য রেজিস্টার করা যায়? 

উত্তর: হ্যাঁ। co-win  অ্যাপে ঢুকে নিজের যেকোনও একটি পরিচয় পত্র জমা করে প্রয়োজনীয় তথ্য নথিভুক্ত করে রেজিস্তার করতে পারবেন। 

৮) যদি অ্যাপের মাধ্যমে রেজিস্টার করতে না পারলে, কী করণীয়?

উত্তর: আপনার বাড়ির নিকটবর্তী হাসপাতালে যদি ভ্যাকসিন দেওয়া হয়, তাহলে প্রশাসনের তরফ থেকে ঘোষণা করা হবে পাড়ায় পাড়ায়। এরপর ভ্যাকসিন কেন্দ্রে গিয়ে নাম রেজিস্টার করতে পারবেন। 


৯)কোন কোন পরিচয়পত্র দেখাতে হবে? 

উত্তর:adhar Card/Letter
Electoral Photo Identity Card (EPIC)
Passport
Driving License
PAN Card
NPR Smart Card
Pension Document with photograph


শিত বিদায় নিয়েছে, গরম এসেছে আপনার বাসার ফ্যান চালানোর আগে ভালোভাবে নাট বল্টু গুলো চেক করে নিন। হয়তো এই সচেতনতার কারণেই বেচে যাবে আপনার প্রাণ, আপনার পরিবারের প্রাণ,রক্ষা পাবে অনেক দুর্ঘটনা থেকে।

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োটেকনোলজি অ্যান্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শ্রেণিকক্ষে এক শিক্ষার্থীর মাথায় সিলিং ফ্যান খুলে পড়েছে। গতকাল শনিবার সকালে ওই ঘটনা ঘটে।
আহত ছাত্রীর নাম শামীমা সুলতানা। তিনি ওই বিভাগের প্রথম বর্ষের ছাত্রী।
সংশ্লিষ্ট বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, গতকাল সকালে বায়োটেকনোলজি বিভাগের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীরা শ্রেণিকক্ষে আসার পর এক শিক্ষার্থী সিলিং ফ্যান চালু করার জন্য ফ্যানের সুইচ চাপেন। এরপর হঠাৎ ফ্যানটি খুলে শামীমার মাথার ওপর পড়ে। দ্রুত বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সহযোগিতায় তাঁকে বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসাকেন্দ্রে নেওয়া হয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসাকেন্দ্রের কর্তব্যরত চিকিৎসক এস এম নজরুল ইসলাম বলেন, আঘাতের কারণে ওই শিক্ষার্থীর মাথা ফুলে গেছে। তাঁকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
বায়োটেকনোলজি বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক আনোয়ারুল হক বলেন, কোনো কারণে ফ্যানের সিলিংয়ের স্ক্রু খুলে ঘটনাটি ঘটে থাকতে পারে। এ ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে বিভাগগুলোর শ্রেণিকক্ষসহ দুর্ঘটনা ঘটতে পারে এমন সংবেদনশীল জায়গা ও যন্ত্রপাতিগুলো বছরে অন্তত একবার পরীক্ষা করার ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে অনুরোধ করা হবে।


Newer Posts Older Posts Home

Search This Blog

POPULAR POSTS

Categories

  • Eye Care 1
  • Health Tips 13
  • Healthy Food 2
  • Kids Food 2
  • Kids Health 9
  • Mental Tips 1
Powered by Blogger
  • March 20223
  • May 20211
  • March 20217
  • February 20211
  • January 20216
  • December 20201
  • July 20209

Page-Admin: Mr. Raju Ahmed

Designed by OddThemes | Distributed by Gooyaabi Templates