Health Tips BD

Get health tips, latest health news, articles and studies on all health-related concerns, read the latest news related to health care and fitness.

Health Tips BD
  • Home
  • Fitness
  • Eye Care
  • Health Care
  • Health Tips
  • Healthy Food
  • Baby Care Tips
    • Kids Health
    • Kids Food

ছয় মাসে আপনার বাচ্চাকে কয়েকটি কঠিন খাবার দেওয়া শুরু করার পরে, আপনি ধীরে ধীরে বিকল্পগুলি বৈচিত্র্য করতে এবং পরবর্তী মাসে তাদের খাবারের মধ্যে আরও বিভিন্ন ধরণের খাবার অন্তর্ভুক্ত করতে পারেন । এখানে ৭ মাসের শিশুর জন্য খাবারের কিছু আকর্ষণীয় বিকল্প দেওয়া হল ।

১) ফলের পিউরি

ফল ভিটামিন, খনিজ, এবং ফাইবার একটি মহান উৎস । আপেল, সবেদা, পেঁপে, কলা, তরমুজ, এভোকাডো ইত্যাদি ফলগুলি হল স্ন্যাক বা খাবারের জন্য দুর্দান্ত একটি বিকল্প ।

২) সবজি

সবজিতে অপরিহার্য মাল্টি ভিটামিন এবং খনিজ থাকে । এটাকে সিদ্ধ করে এবং একটি পিউরি তৈরী করে খাবার হিসাবে দেওয়া যেতে পারে । বড় বড় করে কাটা সিদ্ধ সবজি একটি চমৎকার জলখাবার হিসাবে দেওয়া যেতে পারে ।

৩) পরিজ

কোন একটি শস্যের সিরিয়াল থেকে তৈরি পরিজ শিশুদের জন্য একটি মহান পুষ্টির সম্পূরক তৈরি করে । ধান, গম, ওট, বার্লি, মিলেটের মতো খাদ্যশস্যগুলি প্রক্রিয়াজাত করা যায় এবং চূর্ণ করে পরিজ তৈরি করা যায় ।

৪) মাংসের পিউরি

মাংস এবং মুরগি উচ্চ প্রোটিন এবং কার্বোহাইড্রেটযুক্ত খাবার, যা পিউরির আকারে শিশুদের জন্য চালু করা যেতে পারে ।

৫) ডিম

ডিমের স্বাস্থ্যকর ফ্যাট এবং প্রোটিনের একটি জনপ্রিয় উৎস । শিশুদেরকে এটি ডিম ফোটানোর পরে ছোট্ট ছোট্ট টুকরা হিসাবে দেওয়া যেতে পারে ।

৬) চীজ বা পনির

পেস্টুরাইজড বা প্রক্রিয়াজাত দুধ থেকে তৈরি পনির বা চীজ ব্যাপকভাবে বাজারে পাওয়া যায় । এটি একটি ফ্যাট, প্রোটিন, এবং ভিটামিন সমৃদ্ধ খাবার ।

৭) খিচুড়ি

চাল, গম বা ডালের সঙ্গে হালকা মসলা এবং লবণ দিয়ে তৈরি খিচুড়ি ছোট শিশুদের জন্য একটি পূর্ণ এবং পুষ্টিকর খাবার । এটি প্রাপ্তবয়স্ক খাদ্য তালিকায় তাদের প্রথম স্বাদ হিসাবে কাজ করে ।

প্রতিদিনের খাবারের পরিমাণ

সাধারণত, সাত মাস বয়সী শিশুরা তিনবার কঠিন খাবার এবং মাঝে দুইবার স্ন্যাক বা জলখাবার গ্রহণ করে । কিছুদিনের খাবার খাওয়ার সেশনে সকালে ও রাতে বুকের দুধ খাওয়াও রুটিন অংশ করতে হবে ।
সাধারণত, বাচ্চারা একটি একক খাবারের এক চতুর্থাংশ কাপ পিউরি বা পোরিজ খায় । চাহিদার উপর ভিত্তি করে, আপনি পরিমাণ বৃদ্ধি করতে পারেন । বাচ্চাদের ৮০০-৯০০ মিলিমিটার বুকের দুধ বা ফর্মুলা দুধ খাওয়ানো হয় ।

৭ মাস বয়সী শিশুর খাদ্য তালিকা / পরিকল্পনা

নীচের খাবারগুলি, সময়সূচী শিশুর খাবার পরিকল্পনা ও প্রস্তুতিতে ব্যাপকভাবে সহায়তা করে । এটি শিশুর বিভিন্ন পুষ্টিগত প্রয়োজনীয়তাগুলি সামঞ্জস্য করে বিভিন্ন রেসিপিগুলি অন্তর্ভুক্ত করতে সহায়তা করে । এখানে ৭-মাস-বয়সী শিশুর খাবারের সময়সূচী রয়েছে, যা আপনি নিজের চার্ট ডিজাইন করতে অনুসরণ করতে পারেন ।

১) গমের প্যানকেক

গমের প্যানকেক
উপকরণ
  • গমের আটা- ১ কাপ
  • পাতলা গুড়- ১/৪ কাপ
  • জল- পরিমাণ মতো
  • মৌরি- ১ চা-চামচ
কীভাবে তৈরি করবেন
  • গমের আটায় পাতলা গুড় দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিন ।
  • অল্প করে জল দিয়ে হালকা কঠিন ঘনত্বের মিশ্রণ তৈরি করুন ।
  • অই ব্যাটারে অল্প মৌরি দিয়ে মিশিয়ে নিন । প্যানকেক তৈরির আগে এটি সারা রাত বা কয়েক ঘন্টার জন্য রেখে দিন ।
  • একটি তাওয়া নিয়ে হালকা করে ঘি মাখিয়ে নিন । এবার ডোসার আকারে ঢেলে দিন ।
  • দুই দিক ভালো করে রান্না করে পরিবেশন করুন ।

২) রাগি ও আপেলের পরিজ

রাগি ও আপেলের পরিজ
উপকরণ
  • রাগির আটা- ১ কাপ
  • আপেল- অর্ধেকটা
  • ঘি- ১ চা-চামচ
  • জল- প্রয়োজন মতো
কীভাবে তৈরি করবেন
  • আপেলটিকে ছাড়িয়ে ছোট কিউবের আকারে কেটে নিন । জলে বা প্রেসার কুকারে সিদ্ধ করে নিন এবং ভালো করে চটকে নিন ও মসৃণ পেস্ট তৈরি করুন ।
  • একটি প্যানে রাগির আটা ও জল মিশিয়ে মসৃণ পেস্ট তৈরি করুন এবং অল্প আঁচে রান্না করুন যতক্ষণ এর মদ্ধে বুদবুদ তৈরি হয় ।
  • এই মিশ্রণে আপেলের পিউরি মিশিয়ে রান্না করে নিন ।
  • রান্না হলে আঁচ বন্ধ করে এক চামচ ঘি ছড়িয়ে দিন ।

৩) মিলেট পরিজ

মিলেট পরিজউপকরণ
  • বাড়িতে তৈরি মিলেটের গুড়ো- ১/২ কাপ
  • জল- ১-২ কাপ
  • বুকের দুধ / ফর্মুলা দুধ- ১/২ কাপ
কীভাবে তৈরি করবেন
  • একটি পাত্রে, মিলেটের আটা ও জল মিশিয়ে নিন এবং যতক্ষণ না কোন দলা ছাড়া মসৃণ পেস্ট তৈরি হয় ততক্ষন ভালো করে নাড়িয়ে যান ।
  • আঁচ জ্বালিয়ে দিন এবং বুদুবুদ উঠতে শুরু হওয়া পর্যন্ত মিশ্রণটিকে রান্না করুন ।
  • এই পর্যায়ে আঁচ কমিয়ে নিন এবং প্রয়োজনীয় সামঞ্জস্য বুঝে দুধ যোগ করুন ।
  • অতিরিক্ত স্বাদ হিসাবে, যেকোনো ফলের পিউরি যোগ করতে পারেন, যা মিষ্টতা আনবে ।

৪) মুগ ডাল খিচুড়ি

মুগ ডাল খিচুড়ি
উপকরণ
  • সবুজ মুগ ডাল- ১/২ কাপ
  • চাল- ১/২ কাপ
  • হলুদ গুঁড়ো- ১ চা-চামচ
  • জিরে- ১/৪ চা-চামচ
  • ঘি- ১ চা-চামচ
  • জল- ৩/৪ কাপ
কীভাবে তৈরি করবেন
  • চাল এবং ডাল ধুয়ে নিন এবং আধ ঘন্টা ভিজিয়ে রাখুন
  • চাল ও ডাল ছেঁকে নিয়ে তাতে এক চিমটি হলুদ গুঁড়ো ও জিরে ছড়িয়ে দিন ।
  • প্রেসার কুকারে ৩/৪ কাপ জল যোগ করে এটি রান্না করুন ।
  • ব্লেন্ডারে ভরে পেস্ট তৈরি করে খাওয়ান ।

৫) ন্যাসপাতির পিউরি

ন্যাসপাতির পিউরি
উপকরণ
  • ন্যাসপাতি- ১টি
  • জল / দুধ- ১/৪কাপ
কীভাবে তৈরি করবেন
  • পরিষ্কার করে ধুয়ে ন্যাসপাতিটি ছাড়িয়ে নিন । ফলটি ছোট ছোট করে কেটে বীজ বের করে দিন ।
  • একটি প্যানে জল ফুটিয়ে তাতে ফলটি দিয়ে ঢাকা দিয়ে রান্না করুন ।
  • কোন ব্লেন্ডার বা মিক্সারে ভরে সিদ্ধ ন্যাসপাতিটি চটকে নিন ।
  • এটে জল বা দুধ মিশিয়ে সটিক অনুপাতে তৈরি করুন ।

খাওয়ানোর টিপস

এখানে আপনার সাত মাস বয়সী শিশুকে খাওয়ানোর জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ টিপস রইল ।
  • আপনার শিশুকে জোর করে খাওয়াবেন না । বিভিন্ন বাচ্চাদের ক্ষিদে এবং স্বাদের পছন্দ বিভিন্ন হয় । তারা পর্যাপ্ত খাবার পাচ্ছে কিনা তা নির্ধারণ করতে ভিজা এবং ময়লা ডায়পারের সংখ্যার দিকে নজর রাখুন । পুষ্টিকর প্রয়োজনীয়তা পূরণ করার জন্য, অনেকটা বুকের দুধ বা ফর্মুলা দুধ পরিপূরক হিসাবে তাদের দিন ।
  • একটি নতুন খাবার খাওয়ানোর সময়, সবসময় তিন দিনের জন্য অপেক্ষা করুন । এই শরীরের খাবারের প্রতিক্রিয়া এবং অ্যালার্জি প্রতিক্রিয়ার লক্ষণ দেখার জন্য সময় দিন । এমন কোন ক্ষেত্রে, যেখানে শিশুর নির্দিষ্ট খাবারের অ্যালার্জি থাকে, তা কয়েক মাসের জন্য বন্ধ করুন এবং পরে আবার চেষ্টা করুন ।
  • সঠিক খাবার খাওয়ার অভ্যাস স্থাপন করার জন্য খাবার রাখার জন্য একটি নির্দিষ্ট স্থান রাখুন । এই অভ্যাস, শিশুর মনের মধ্যে স্থান এবং খাবারের মধ্যে সংযোগ সৃষ্টি করে, বাবা-মায়ের জন্য খাওয়ানো সেশনগুলি আরও সহজ করে তোলে ।
  • শিশুদের ফিঙ্গার ফুড দিয়ে খাবার বুঝতে উত্সাহিত করুন । এই বয়সে বাচ্চাদের কামড়ানোর একটি প্রবণতা থাকে এবং ফিঙ্গার ফুডের প্রতি জোরালো আকাঙ্ক্ষা থাকে, যা তাদের মাড়িতে প্রশমিত করতে সাহায্য করে । এটি তাদের টেক্সচার এবং তাদের স্বাদের সঙ্গে একটি প্রথম অভিজ্ঞতা দেয় ।
  • রেগে রেগে খাওয়ানো এড়ানো উচিত । এটি তাদের খাবারকে আনন্দ করে উপভোগ করা থেকে দূর করে দেয় ।
  • বাচ্চাদের কগাবার গলায় আটকে যাওয়া বা গলায় লাগা খুবই সাধারণ ঘটনা, বিশেষ করে যখন তারা দলাযুক্ত খাবার খায় অথবা যখন তারা একটি বড় টুকরো গিলে ফেলে । তার খাওয়ার সময় ভালোভাবে নজর রাখুন এবং গলায় আটকালে চটজলদি প্রতিক্রিয়া করুন ।
  • দেবার আগে ফল এবং সবজি পরিষ্কার করুন । ফল এবং সবজির পিউরি পূর্ণ খাবারের বদলে জলখাবার হিসাবে ব্যবহার করা যেতে পারে । ফলের সাথে দুধ মেশানো এড়িইয়ে চলার চেষ্টা করুন কারণ এটি হজমে সমস্যা করে ।
  • শিশুর খাবার তৈরির জন্য ব্যবহৃত বাসনপত্র ভালোভাবে পরিষ্কার এবং জীবাণুমুক্ত করুন, কারণ শিশুরা খুব শীঘ্রই সংক্রমিত হয়ে থাকে । দলা ছাড়া খাবার তৈরি করতে একটি ভাল খাদ্য প্রসেসর ব্যবহার করুন ।
সাত মাস বয়সী শিশুদের তাদের ক্রমবর্ধমান শরীর এবং মস্তিষ্কে জন্য স্বাস্থ্যকর এবং পুষ্টিকর খাবার প্রয়োজন । এটি একটি পরিবর্তনের পর্যায়, যেখানে তারা কঠিন খাবার খেতে শুরু করে এবং তাদের স্বাদ অনুভবের উন্নয়ন শুরু হয় । অনেক রকম শাকসবজি ও ফল খেলে এই ভালো খাবার খাওয়ার অভ্যাস তৈরি হওয়া দীর্ঘতর হবে ।




সর্দি
ছবির উৎস,GETTY IMAGES
ছবির ক্যাপশান,
ঋতু পরিবর্তনের সময় অনেকেই সর্দি-কাশিতে ভোগেন।
বাংলাদেশে সর্দি-কাশির মতো সাধারণ স্বাস্থ্য সমস্যায় যারা ভুগছেন, তাদের চিকিৎসা নিশ্চিত করতে হাসপাতালে পৃথক ব্যবস্থা করা হচ্ছে বলে স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে।
সরকারের স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবুল কালাম আজাদ এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে এ কথা জানিয়েছেন।
বাংলাদেশে করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার প্রেক্ষাপটে সর্দি-কাশির মতো সমস্যায় অনেকে চিকিৎসা পরামর্শ পাচ্ছেন না, এমন অভিযোগ ওঠার পর সরকারি এই সিদ্ধান্ত জানানো হলো।
বিশেষজ্ঞরা বলেন, ঋতু পরিবর্তনের সময় বাংলাদেশের মতো দেশে সর্দি-কাশি একটি সাধারণ বিষয়।
বাংলাদেশে প্রতিবছর মার্চ-এপ্রিল মাসে সর্দি-কাশির প্রাদুর্ভাব থাকে বলে চিকিৎসকরা জানান। তাদের ভাষায়, এটি সিজনাল ইনফ্লুয়েঞ্জা।
এখন যেহেতু বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাস সংক্রমণের মহামারি চলছে, সেজন্য সাধারণ ইনফ্লুয়েঞ্জা নিয়েও অনেকে উদ্বিগ্ন হয়ে উঠছেন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবুল কালাম আজাদ বলেন, করোনাভাইরাস সংক্রমণের লক্ষণের মধ্যেও সর্দি-কাশি রয়েছে।
তিনি বলেন, বছরের এই সময়টিকে অনেকেরই মৃদু জ্বর ও সর্দি-কাশি থাকে। কিন্তু এখন অনেকে আগের চেয়ে বেশি ভয় পাচ্ছেন। ফলে হাসপাতালেও বেশি মানুষ আসার চেষ্টা করে। চিকিৎসকদের কাছেও অনেকে টেলিফোন করে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক পরামর্শ দিয়েছেন, কারো যদি জ্বর থাকে এবং সামান্য গলা ব্যথা থাকে, তাহলে বাড়িতে অবস্থান করে চিকিৎসা নেয়া ভালো।
জ্বর থাকলে প্যারাসিটামল এবং কুসুম গরম পানি পানের পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।
এছাড়া তিনি বলেন যে গলা ব্যথা থাকলে কুসুম গরম পানি দিয়ে গার্গল করা যেতে পারে। সর্দি-কাশির জন্য অ্যান্টি-হিস্টামিন জাতীয় ট্যাবলেট খাওয়া যেতে পারে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
"যদি অবস্থা একদম জটিল না হয় তাহলে হাসপাতালে আসার প্রয়োজন নাই," বলছিলেন মি. আজাদ।
তিনি জানান, সরকার হাসপাতালগুলোতে পৃথক আউটডোর ও ইমার্জেন্সি বিভাগ খোলার চেষ্টা করছে, যেখানে সর্দি-কাশির রোগী বা এই ধরণের সমস্যায় যারা আছেন, তারা যেতে পারেন।
তিনি বলেন, "যদি করোনা সন্দেহ করা হয়, তাহলে একথা বলবো না যে সাধারণ হাসপাতালে অন্যান্য রোগীর সাথে তাদের ভর্তি করা হবে।"
মহাপরিচালক জানান, করোনাভাইরাস সংক্রমণের চিকিৎসা দেওয়ার জন্য যেসব হাসপাতাল নির্ধারিত রয়েছে, সেসব জায়গায় সন্দেহভাজন রোগীদের পাঠানোর পরামর্শ দেয়া হয়েছে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, মৌসুমি ইনফ্লুয়েঞ্জার কারণে হঠাৎ জ্বর, শুষ্ক কাশি, মাথাব্যথা, মাংসপেশীতে ব্যথা হতে পারে। এছাড়া হতে পারে গলা ব্যথা এবং সর্দি।
এক্ষেত্রে কফ মারাত্মক আকার ধারণ করতে পারে এবং এই অবস্থা দুই সপ্তাহ পর্যন্ত থাকতে পারে। আর অধিকাংশ মানুষ কোন চিকিৎসা ছাড়াই সপ্তাহ খানেকের মধ্যে সুস্থ হয়ে ওঠেন বলে জানাচ্ছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

ইনফ্লুয়েঞ্জা বা ফ্লু ঠেকানো পাঁচটি উপায়

খুব সামান্য কারণেই ঠাণ্ডা বা সর্দি-জ্বরে আক্রান্ত হতে পারেন যে কেউ। সাধারণত কয়েকদিনের মধ্যেই মানুষের সর্দি-জ্বর ভালও হয়ে যায়।
তবে কয়েকটি উপায়ে স্বাভাবিকের চেয়ে দ্রুত সময়ে সর্দি-জ্বর ভাল করা সম্ভব বলে মনে করেন চিকিৎসকেরা।
মৌসুমি ইনফ্লুয়েঞ্জা বা ফ্লু প্রতিরোধের জন্য পাঁচটি পদক্ষেপ নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

১. টিকা নেয়া

ফ্লু থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য প্রতিবছর টিকে নিতে পারেন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, সাধারণত গর্ভবতী নারীদের জন্য এটি খুব গুরুত্বপূর্ণ। এছাড়া ছয়মাস থেকে পাঁচ বছর বয়সী শিশুদের জন্যও এটি বেশ গুরুত্বপূর্ণ।

২. নিয়মিত হাত ধোয়া

নিয়মিত হাত পরিষ্কার রাখলে ফ্লু ছাড়াও অন্যান্য সংক্রমণ থেকে নিজেকে রক্ষা করা যায়। সাবান দিয়ে ভালো মতো হাত ধোয়ার পর তা মুছে শুকনো করে নেবার পরামর্শ দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।
৩. চোখ-নাক-মুখ স্পর্শ নাকরা
এই তিনটি স্থান দিয়ে মূলত শরীরে জীবাণু প্রবেশ করে। শ্বাস-প্রশ্বাসের মাধ্যমে যা কিছু ভেতরে প্রবেশ করছে, তার সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়। তবে মুখ হাত না দিয়ে সংক্রমণের ঝুঁকি অনেকটা কমিয়ে আনা যেতে পারে।

৪. অসুস্থ ব্যক্তির সংস্পর্শ এড়িয়ে চলা

ফ্লু একটি সংক্রামক বিষয়। যেখানে জনসমাগম বেশি সেখানে ফ্লু বেশ দ্রুত ছড়ায় - এর মধ্যে রয়েছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, পাবলিক ট্রান্সপোর্ট, হাসপাতাল এবং যে কোন ধরণের গণজমায়েত। ফলে এ ধরণের জমায়েত এড়াতে পারলে অসুস্থ ব্যক্তির সংস্পর্শে আসার ঝুঁকি কমে।

৫. শরীর খারাপ লাগলে বাসায় থাকুন

আপনি যদি ফ্লু'র মাধ্যমে অসুস্থ হন, তাহলে অন্যদের সংস্পর্শে গেলে তারাও অসুস্থ হতে পারেন।
যারা ক্যান্সার বা হৃদরোগে ভুগছেন কিংবা এইচআইভি পজিটিভ - তাদের জন্য এটি বেশি ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। ফ্লু হওয়া মাত্র নিজেকে অন্যদের কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন রাখলে ভাইরাসের বিস্তার থামানো সম্ভব।
এছাড়া চিকিৎসকরা আরো যেসব পরামর্শ দেন, সেগুলো হচ্ছে -

উষ্ণ পরিবেশ

সর্দি-জ্বরের সময় উষ্ণ পরিবেশে থাকা বা উষ্ণ পোশাক পড়ে থাকলে ফলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।

প্রচুর তরল পান

প্রচুর পরিমাণ পানি বা ফলের রস পানের মাধ্যমে পানিশূন্যতা রোধ করলে ঠাণ্ডা থেকে দ্রুত আরোগ্য লাভ করা যেতে পারে।

গলার যত্ন নিন

ঠাণ্ডার একটি সাধারণ উপসর্গ গলা ব্যথা। লবণ পানি দিয়ে গার্গল করা অথবা লেবু ও মধু দিয়ে হালকা গরম পানীয় তৈরি করে পান করলে গলা ব্যথার দ্রুত উপশম হতে পারে।
সারাদিন কম্পিউটার টিভি ও মোবাইল ফোনে চোখ, যেভাবে যত্ন নেবেন
ঘরে বসে অফিসের কাজ করার সময় একটানা কম্পিউটারের দিকে তাকিয়ে থাকা, নয়তো টিভিতে পছন্দের অনুষ্ঠান বা খবর আবার সঙ্গে রয়েছে মোবাইলের স্ট্যাটাস আপডেট চেক করার কাজও। দুইটি চোখের উপর দিতে কতকিছুই না যায়!  
টানা ৮ থেকে ৯ ঘণ্টা কম্পিউটারের সামনে বসে থেকে কাজ করা ও ফোনে সারাদিন কথা বলা। সব মিলিয়ে চোখের সমস্যা হওয়া খুবই স্বাভাবিক। তাই এখন বেশিরভাগ মানুষই চমশা ব্যবহার করেন।
করোনাভাইরাসের কারণে লকডাউনের আগেও এসব ছিলো কিন্তু এমন মাত্রায় নয়। যেমন, অফিসে মনিটরের সঙ্গে চোখের দূরত্ব থাকত মোটামুটি ঠিকঠাক। বর্তমানে ঘরে ল্যাপটপ, কম্পিউটারে কাজ আর অবসর সময়ে নজর রাখছেন টিভিতে। ফলে দিনের শেষে জবাব দিচ্ছে চোখ। চোখ জ্বালা, চোখ কড়কড় করা, চোখ লাল হওয়া, চোখে ভারী ভাব, ঝাপসা দেখা, কপাল-ঘাড়-পিঠ-মাথা জুড়ে ব্যথা হওয়া, সবই বসেছে জাঁকিয়ে।
চক্ষুরোগ বিশেষজ্ঞ সুমিত চৌধুরীর মতে, সারাক্ষণ ডিজিটাল স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকলে, চোখ পলক ফেলতে ভুলে যায়, আর তাতেই বিপদ হয়। এমনিতে মিনিটে যত বার শ্বাস চলে ততবার চোখের পলক পরার কথা। অর্থাৎ মিনিটে ১৮ বার। যাতে কিছু তৈলাক্ত ও জলীয় পদার্থ সমান ভাবে মণির উপর ছড়িয়ে পড়ে চোখকে সুস্থ ও সবল রাখতে পারে। একমনে ডিজিটাল স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকলে ১৮ বারের বদলে ৫-৯ বার চোখের পলক পড়ে। চোখ শুকোতে থাকে। দেখা দেয় যাবতীয় উপসর্গ, যাকে বলে ‘ড্রাই আই সিনড্রোম’। 
যত বেশি সময় ল্যাপটপ, টিভি, মোবাইল সঙ্গী হয়, তত বাড়ে বিপদ। যাদের চোখে খুব বেশি মাইনাস পাওয়ার আছে, তাদের বেশি সমস্যা হয়। চশমা না পরে কাজ করলে এই সমস্যা বাড়ে।

কম্পিউটার, টিভি ও মোবাইল প্রতিনিয়ত ব্যবহার করলে অবশ্যই চোখের যত্ন নিতে হবে। জেনে নিই কীভাবে চোখের যত্ন নেবেন-
. স্ক্রিন টাইম কমানো হল প্রথম কাজ। অফিসের কাজ কমানো যাবে না, কিন্তু মাঝে মাঝে বিরতি দিতে হবে। ৩০-৪৫ মিনিট টানা কাজ করার পর ৫-১০ মিনিটের বিরতি নিন। একটু পানি খান। সে সময় টিভি দেখা বা লম্বা টেক্সট করার দরকার নেই। 

.  অফিসে যেভাবে কম্পিউটার সেট করা আছে, ঘরেও সেভাবে করে নিন। সঠিক উচ্চতার চেয়ার-টেবিলে বসে মনিটর ২২ ইঞ্চি দূরে রেখে কাজ করুন। ঘরের আলোর উজ্জ্বলতা যেন মনিটর থেকে একটু কম থাকে। 
. একটানা কাজ করবেন না। মাঝে মাঝে চোখ বন্ধ করে চোখকে বিশ্রামও দিন। এতে দৃষ্টিশক্তি ভালো থাকে।
. বই পড়া বা দূরে দেখার চশমা পরে কাজ করলে সমস্যা হতেই পারে। তবে কম্পিউটারে কাজ করার জন্য আলাদা চশমা লাগে। সেটা পরে কাজ করুন। এক-আধ ঘণ্টা বাদে বাদে টেবিলে দুই কনুই রেখে হাতের তালুতে চোখ দুটো চেপে ধরে রাখুন ২-৩ মিনিট।
কম্পিউটারে কাজ করার জন্য প্রয়োজনীয় চশমা ব্যবহার করলে চোখ খারাপের ঝুঁকি কমে। 
. প্রতি তিন থেকে চার সেকেন্ড পর পর চোখের পাতা ফেলা চোখের ছোটখাটো সমস্যার সমাধান করে। তাই ঘন ঘন চোখের পাতা ফেলুন। 
. মাঝেমাঝে চোখে-মুখে ঠাণ্ডা পানির ঝাপটা দিন। চোখ বন্ধ করে শুয়ে থাকুন খানিক ক্ষণ। বন্ধ চোখের পাতায় ঠাণ্ডা গোলাপ জলে ভেজানো তুলা রাখলে ক্লান্তি কমে যাবে। 
. সারাক্ষণ বসে থাকবেন না। এদিক-ওদিক হেঁটে আসুন।
. প্রচুর পরিমাণে সবুজ শাকসবজি, বাদাম, কমলালেবু খেতে পারেন। এসব খাবার চোখের কর্নিয়া ভালো রাখে।  
. দূরে দেখার চশমা থাকলে ওই চশমা পরে টিভি দেখুন। ঘরের আলো জ্বালিয়ে রাখবেন। বসে টিভি দেখাই সবচেয়ে ভালো। অন্তত মশারির মধ্যে শুয়ে দেখবেন না।
. ঘুমের সমস্যা থাকলে ঘুমোতে যাওয়ার অন্তত দু’ঘণ্টা আগে টিভি, ল্যাপটপ, মোবাইল বন্ধ করে দেবেন। কারণ স্ক্রিন থেকে যে নীল আলো বেরয়, তাতে ঘুমের ব্যাঘাত হয় বলে জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। তার বদলে বই পড়া শুরু করুন। চোখও বিশ্রাম পাবে, ঘুমেরও অসুবিধা হবে না।
. নিয়ম মানার পর সমস্যা না কমলে চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করে নিন।
সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা
যেভাবে দূর করবেন বুকে জমে থাকা কফ
সর্দি-কাশি একটি সাধারণ রোগ। তাপমাত্রার তারতম্য হলে অনেকেই সর্দি-কাশিতে ভোগেন। এছাড়া আরও বিভিন্ন কারণে সর্দি-কাশি হতে পারে। তবে সর্দি-কাশি যে কারণেই হোক না কেন, এই রোগে আক্রান্ত হলে অনেকের ক্ষেত্রে বুকে কিছু কফ বা শ্লেষ্মা জমে, যা স্বাভাবিক একটি বিষয়। কিন্তু এই শ্লেষ্মা বা কফের পরিমাণ বেশি হলে বুকে অস্বাভাবিক শব্দ হয়, ঘুমে ব্যাঘাত ঘটে ও গলা ব্যথা করে। এসব ক্ষেত্রে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া উচিত।
ভাইরাস সংক্রমণ, ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ, অ্যালার্জি, অ্যাজমা, অ্যাসিড রিফ্লাক্স, ব্রনকাইটিস, সিওপিডি, সিস্টিক ফাইব্রোসিস ও অন্যান্য ফুসফুসীয় সমস্যায় বুকে শ্লেষ্মা জমতে পারে। 
আসুন বুকের শ্লেষ্মা কমাতে কিছু কার্যকর ঘরোয়া পদ্ধতি সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক:-
মধু: ঘরোয়া চিকিৎসার একটি জনপ্রিয় অনুষঙ্গ হল মধু। গবেষণায় পাওয়া গেছে, মধুতে ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করার মতো ক্ষমতা রয়েছে। বুকে শ্লেষ্মা জমলে মধু খেলে কমে যায়। একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ উপসর্গ দূর না হওয়া পর্যন্ত প্রতি ৩-৪ ঘণ্টায় এক টেবিল চামচ মধু সেবন করতে পারেন। ১২ মাসের কম বয়সি শিশুদের জন্য মধু উপযুক্ত নয়।
লবণ পানি: লবণ মিশ্রিত পানি দিয়ে গড়গড়া করলেও বুকের শ্লেষ্মা দূর হবে ও উপসর্গ উপশম হবে। এক মগ পানিতে আধ চা-চামচ লবণ ঢেলে নাড়তে থাকুন। লবণ মিশে গেলে গড়গড়া করতে থাকুন। লবণ পানি মুখের ভেতর কমপক্ষে ৩০ সেকেন্ড রাখতে হবে। ঠাণ্ডা নয়, কুসুম গরম পানি ব্যবহার করুন। গবেষণায় দেখা গেছে, ঠাণ্ডা পানির গড়গড়া তেমন কার্যকর নয়।
গরম পানি: পর্যাপ্ত গরম পানি পান করলে শ্লেষ্মা পাতলা হবে ও কাশির মাধ্যমে সহজে বের হয়ে যাবে। গবেষণায় দেখা গেছে, গরম পানীয় বুকের শ্লেষ্মা দূর করে ব্যথা ও অন্যান্য অস্বস্তিকর অনুভূতি প্রশমিত করতে পারে।গরম স্যূপ, ব্ল্যাক টি বা গ্রিন টি, হার্বাল টি অথবা সাধারণ পানি পানে এই উপকার পেতে পারেন। এখানে গরম পানি বলতে কুসুম গরম পানিকে বোঝানো হচ্ছে।
আর্দ্র বাতাস: কক্ষের বাতাসকে আর্দ্র করলে শ্লেষ্মা পাতলা হবে ও কাশি বা গলার অস্বস্তি কমে যাবে। যুক্তরাজ্যের ন্যাশনাল হার্ট, লাং অ্যান্ড ব্লাড ইনস্টিটিউট কক্ষের বাতাসকে আর্দ্র করতে হিউমিডিফাইয়ার বা স্টিম ভেপোরাইজার ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছে। রাতে ঘুম যেতে সমস্যা হলে হিউমিডিফাইয়ার সহায়ক হতে পারে- প্রতিক্রিয়া বাড়াতে জানালা ও দরজা বন্ধ রাখুন। এছাড়া গরম পানির ভাপ টানলে অথবা উষ্ণ গোসলেও শ্লেষ্মা পাতলা হবে।
কিছু খাবার: কিছু খাবার ও মসলা বুকের শ্লেষ্মা কমাতে পারে, যেমন- রসুন, আদা, লেবু ও শুকনো মরিচের গুঁড়া বা ঝাল মরিচ। এছাড়া কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, ভাইরাস সংক্রমণে গলায় শ্লেষ্মা জমলে বেরি, জিনসেং, পেয়ারা, যষ্টিমধু, ডালিম ও জিংক সমৃদ্ধ খাবার খেলে উপকার পাওয়া যায়। তথ্যসূত্র: মেডিকেল নিউজ টুডে

বিভিন্ন রকম পুষ্টিকর খাবার শরীর সুস্থ্য রাখতে সাহায্য করে
সারাদিন আমরা কয়েক বার খাবার খাই|সেই খাবার হতে পারে বাড়িতে, অফিসে, রেস্টুরেন্টে কিংবা কোনো দাওয়াতে| কিন্তু আমরা যেই খাবার খাই তা কি আমরা একটু চিন্তা করি যে আমরা কি খাচ্ছি? বা কি খাওয়া উচিত?কি খেলে আমরা সুস্থ থাকবো বা কোন খাবারটিতে কি কি পুষ্টি উপাদন আছে? কোন খবরটি বেশি বা কম খাওয়া বা বাদ দেয়া উচিত?
অনেকে হয়তো প্রতিবেলাই ভাত খাচ্ছেন, মাংশ খাচ্ছেন,মিষ্টি/চিকলেট খাচ্ছেন|কেউ কেউ তাড়াতাড়ি শুকানোর জন্য শর্করা বাদ দিয়ে শুধু সবজি খাচ্ছেন, বা ফলের ডায়েট করছেন|বা কেউ কেউ ওজন বাড়ানোর জন্যে বেশি বেশি ভাত খাচ্ছেন|কারো কারো দুধ খাওয়ার কথা শুনলেই বিরক্ত লাগে|কেউ হয়তো ডিম, দুধ, সবজি না খেয়ে সব বেলাতেই মাংশ খান| অনেকের প্রতি বেলা ফাস্ট ফুড না হলে চলেই না|অনেকে প্রতিদিন তো দুরের কথা সপ্তাহে একদিনও ফল খান কিনা সন্দেহ!
আসলে খাবার দাবার সম্পর্কে আমাদের অনেকেরই হয়তো ধারণা না থাকার কারণে এমনটি হচ্ছে| আর এর পরিনাম হতে পারে বিভিন্ন রকম অসুখ,(যেমন: ডায়বেটিস, হার্টের অসুখ,ক্যান্সার, ভিটামিনের স্বল্পতা ইত্যাদি)রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা না থাকা আর শারীরিক বা মানসিক দুর্বলতা|
শরীর সুস্থ্য ও সবল রাখার জন্য আমাদের শরীরের সব ধরনের পুষ্টি দরকার|আমাদের শরীরের ৪০ রকমেরও বেশি পুষ্টি উপাদান দরকার হয়| কেবল একটি বা একরকমের খাবার এই সবরকমের পুষ্টির চাহিদা মেটাতে পারে না|তাই নানান রকমের খাবার আমাদের দৈনন্দিন খাদ্য তালিকায় রেখে এই পুষ্টির চাহিদা মেটাতে হয় বা পুষ্টির সামঞ্জস্য করতে হয়| আর একেই বলে ব্যালান্সড ডায়েট|আর এই ব্যালান্সড ডায়েটে সব রকমের বা অনেক রকমের খাবার থাকে বলে খাবারে এক ঘেয়েমি আসে না|শরীর থাকে সুস্থ্য ও সবল|
পুষ্টিবিদেরা বলেন, প্রতিদিনের ব্যালান্সড ডায়েটে ৫ রকমের খাদ্য থাকতে হবে|বা ৫ শ্রেনীর খাদ্য আমাদের প্রতিদিনের তালিকায় থাকতে হবে|প্রতি গ্রুপের খাদ্য থেকে ৫ রকমের খাবার আমরা একবেলা একটি করে খাবো এবং প্রতি গ্রুপ থেকে হয়তো এক বা একাধিক রকমের পুষ্টি পাবো|তাই ৫ গ্রুপের বিভিন্ন রকমের খাবার প্রতিবেলা ও প্রতিদিন খেলেই খাদ্য তালিকায় সব রকমের পুষ্টি থাকবে| যেমন: পেয়ারাতে আছে ভিটামিন সি, কিন্তু ওমেগা-৩ নেই, যা আছে মাছে| পনিরে আছে ভিটামিন বি-১২,কিন্তু ভিটামিন সি নেই, পেয়ারায় বিটামিন বি-১২ নেই| আবার লাল আটার পুষ্টি সাদা আটার চাইতে বেশি ইত্যাদি|
আবার, এই ৫ গ্রুপের খাবারের ক্ষেত্রেও একেকটি গ্রুপের খাবারগুলোর এক একরকম পুষ্টি আছে| তাই প্রতি গ্রুপের খাবার খাওয়ার ক্ষেত্রেও ভিন্নতা আনতে হবে| অর্থাৎ, প্রতিগুপের খাবারগুলোও খেতে হবে এক এক সময়/দিন এক এক রকম|যেমন: কোনো সবজিতে ভিটামিন সি বেশি,কোনটাতে আবার আয়রন বেশি ইত্যাদি|তাই বিভিন্ন রকমের সবজি এক এক বেলা এক এক রকম খেতে পারেন|আবার ফলের ক্ষেত্রে, একদিন একবেলা কমলা খেলেন, তো আরেক বেলা তরমুজ বা কলা খান| আরেকদিন একবেলা আম খেলেন, তো অন্য বেলা আপেল ইত্যাদি|
৫ রকমের খাবারগুলো হচ্ছে:
১.শর্করা—ভাত, আটা,ময়দা,পাস্তা, নুডুলস, রুটি, সিরিয়াল বা ওটস ইত্যাদি|
২.আমিষ—মাছ,মাংশ, ডিম, বিনস, বাদাম, টফু, ডাল
৩.শাক-সবজি, বিনস,ডাল
৪.ফল
৫.দুধ ও দুধজাত খাবার, যেমন: পনির,দই ইত্যাদি|
এছাড়াও আরেকটি উপাদান হলো ফ্যাট, যা আমাদের শরীরে অল্প দরকার হতে পারে|কিন্তু তা রান্নার তেল,বাদাম, মাছ, মাংশ, ইত্যাদি থেকেই আমরা পাই|তাই এটি আলাদা ভাবে, বা বেশি খাবার দরকার নেই|
তাই আপনার প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় উপরের ৫ শ্রেনীর খাবার আছে কিনা তা লক্ষ্য রাখুন|এক বেলা কোনটি যদি বাদও পড়ে, তো অন্য বেলা সেটা খাবার চেষ্টা করুন বা এক বেলা একগ্রুপের একটি খাবার খান, অন্য বেলা সেই গ্রুপের আরেকটি খাবার খান|যেমন: কোনো বেলা মাছ খেলেন, তো অন্য বেলা মাংশ খান| আবার এক বেলা লাল আটার রুটি খেলেন, তো অন্য বেলা সাদা চালের ভাত খান| এক বেলা মিশানো সবজি খেলেন তো অন্য বেলা একরকমের সবজির রান্না/ভাজি  খান|একবেলা রিচ ফুড বা বার্গার বা ফাস্ট ফুড খেলেন, তো অন্যবেলা কম ক্যালোরীর, কমফ্যাট যুক্ত খাবার খান|এইভাবে সব ধরনের খাবারে ব্যালান্স আনুন|
প্রতিদিনের খাবারে কম ফ্যাট ও চিনিমুক্ত খাবার রাখুন|ক্যালরি বহুল খাবার,যেমন রিচ ফুড, কেক,ফাস্ট ফুড,কোমল পানীয় পরিহার করুন| এগুলো কম পরিমানে খান, যেমন: সপ্তাহে একদিন| বা কোনো দাওয়াত বা অনুষ্ঠানে গেলে খান খুব অল্প পরিমানে| এছাড়া চিনি যুক্ত ও লবনাক্ত খাবার আমাদের দৈনন্দিন খাদ্য তালিকায় না রাখাই ভালো|এই ধরনের খাবার ও পানীয়গুলো যথাসম্ভব কম খাওয়াই ভালো|
তবে প্রতিটি খাবারই খেতে হবে পরিমানমতো|কে কতটুকু খাবেন তা নির্ভর করবে তার শারীরিক চাহিদা ও ক্যালরির চাহিদার উপর|
তবে পানি পান করতে হবে প্রচুর পরিমানে|প্রতিদিন অন্তত ৮ গ্লাস পানি পান করুন|পানি পান করা সম্পর্কে জানতে ক্লিক করুন|
প্রয়োজনে পুষ্টিবিদের সাথে পরামর্শ করুন, কোন খাবার কিভাবে খেতে হবে|এইভাবে খেলে আর আপনার খাবারে ভিটামিন ও মিনারেলের অভাব হবে না|শরীরটাও সুস্থ্য থাকবে|সেই সাথে ওজন কমানো,নিয়ন্ত্রণে রাখা ও ফিটনেস ও অর্জনে সাহায্য করবে|
এই পোস্টটি কেমন লাগলো তা জানাবেন, ভালো লাগলে সবার সাথে শেয়ার করুন ও পোস্টটির রেটিং দিন
-রাজু আহমেদ

আমি আপনার সম্পর্কে জানিনা, তবে যদি আমাকে আরও একবার "অভূতপূর্ব" শব্দটি শুনতে হয় তবে আমি সম্ভবত এটি হারাতে পারি।
অবশ্যই, এটি ভুল নয়। বিশ্বব্যাপী মহামারী চলাকালীন, আমরা চ্যালেঞ্জগুলির মুখোমুখি হয়েছি ... যা বেশ ভাল ... বেশ নতুন।

এবং হ্যাঁ, এই সমস্ত অনিশ্চয়তা এবং ভয়ের মানসিক স্বাস্থ্যের পরিমাণ খুব বোধগম্য। এটি এমন সময় যখন আমাদের সংবেদনশীল রিজার্ভগুলি কম থাকে, আমাদের উদ্বেগ বেশি এবং আমাদের মস্তিষ্কগুলি কিছুটা ঝাঁঝরা হয়।

তবে বার বার একই প্লিটিটিউডগুলি শুনে কিছুটা ঝাঁকুনি পাওয়া শুরু হতে পারে, বিশেষত যখন আপনার সমর্থন প্রয়োজন এবং এটি কোথায় পাবেন তা আপনি জানেন না।

হতে পারে এটি আপনার প্রথম (বা বাধা) আতঙ্কজনক আক্রমণ। হতে পারে এটি অবর্ণনীয় ক্লান্তি যা আপনি ঘুমিয়ে পড়ে বলে মনে করতে পারেন না। যদি আপনি COVID-19 এর জন্য জরুরি যত্ন নেওয়ার প্রয়োজন হয় বা কিছু উদ্বেগবিরোধী মেডসের জন্য একজন মনোরোগ বিশেষজ্ঞের কাছে যেতে চান তবে আপনি ছিটিয়ে যাচ্ছেন, তা বুঝতে পারছেন না।

যদি আপনি কোকো-পাফস (# নোটনাদ) -র জন্য সর্বাধিক আউট বা অল্প কিছু কোকিল অনুভব করছেন তবে আপনি একা নন - এবং এমন সংস্থান রয়েছে যা আপনাকে সমর্থন করতে পারে, আপনি যে বিষয়েই আপত্তি করেন না কেন।

সুতরাং দীর্ঘ নিঃশ্বাস নিন, শক্ত হয়ে ঝুলুন এবং আসুন আপনার বিকল্পগুলি অন্বেষণ করুন।

হেই বন্ধু. এই মুহুর্তে আপনাকে কী বিরক্ত করছে?
এটি চেক ইন করার সময়! আপনি এখনই যা संघर्ष করছেন তার মধ্যে নিচের কোন বিবৃতিটি সর্বোত্তমভাবে বর্ণনা করে?
ফল । ডিম। মাংস। বাদাম ও বীজ। শাকসবজি। সীফুড। দানাশস্য। রুটি। legumes। দুগ্ধ। চর্বি এবং তেল। কন্দ। ভিনেগার। চকলেট।


বিপুল সংখ্যক খাবার স্বাস্থ্যকর এবং সুস্বাদু। ফল, শাকসব্জী, মানসম্পন্ন প্রোটিন এবং অন্যান্য পুরো খাবার দিয়ে আপনার প্লেট ভরাট করে আপনার কাছে এমন খাবার হবে যা বর্ণিল, বহুমুখী এবং আপনার জন্য ভাল।

এখানে 50 টি অবিশ্বাস্যরকম স্বাস্থ্যকর খাবার রয়েছে। তাদের বেশিরভাগই আশ্চর্যজনকভাবে সুস্বাদু।

1–6: ফলমূল এবং বেরি
ফল এবং বেরি বিশ্বের সর্বাধিক জনপ্রিয় স্বাস্থ্যকর খাবারগুলির মধ্যে রয়েছে।

এই মিষ্টি, পুষ্টিকর খাবারগুলি আপনার ডায়েটে অন্তর্ভুক্ত করা খুব সহজ কারণ এগুলির কোনও প্রস্তুতির প্রয়োজন হয় না।

1. আপেল
আপেলগুলিতে ফাইবার, ভিটামিন সি এবং অসংখ্য অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে। এগুলি খুব ভরাট হয় এবং আপনি যদি খাবারের মধ্যে ক্ষুধার্ত হন তবে নিখুঁত জলখাবার তৈরি করেন।

2. অ্যাভোকাডোস
অ্যাভোকাডোগুলি বেশিরভাগ ফলের চেয়ে আলাদা কারণ এগুলি কার্বসের পরিবর্তে স্বাস্থ্যকর চর্বিযুক্ত। এগুলি কেবল ক্রিমি এবং সুস্বাদুই নয় তবে ফাইবার, পটাসিয়াম এবং ভিটামিন সি এর পরিমাণও বেশি

৩. কলা
কলা পটাসিয়ামের বিশ্বের সেরা উত্সগুলির মধ্যে একটি। এগুলিতে ভিটামিন বি 6 এবং ফাইবারের পাশাপাশি সুবিধাজনক এবং বহনযোগ্য।

৪. ব্লুবেরি
ব্লুবেরি কেবল সুস্বাদু নয়, বিশ্বের অ্যান্টিঅক্সিডেন্টগুলির সবচেয়ে শক্তিশালী উত্সগুলির মধ্যে রয়েছে।

5. কমলা
কমলাগুলি তাদের ভিটামিন সি সামগ্রীর জন্য সুপরিচিত। আরও কী, এগুলিতে ফাইবার এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বেশি।

6. স্ট্রবেরি
স্ট্রবেরি অত্যন্ত পুষ্টিকর এবং কার্বস এবং ক্যালোরি উভয়ই কম।

এগুলি ভিটামিন সি, ফাইবার এবং ম্যাঙ্গানিজ দিয়ে বোঝায় এবং তাত্ক্ষণিকভাবে সর্বাধিক সুস্বাদু খাবারগুলির মধ্যে রয়েছে।

অন্যান্য স্বাস্থ্যকর ফল
অন্যান্য স্বাস্থ্যকর ফল এবং বেরিগুলির মধ্যে রয়েছে চেরি, আঙ্গুর, আঙ্গুর, কিউইফ্রুট, লেবু, আম, বাঙ্গি, জলপাই, পিচ, নাশপাতি, আনারস, বরই এবং রাস্পবেরি।

7. ডিম
ডিম গ্রহের সবচেয়ে পুষ্টিকর খাবারগুলির মধ্যে একটি।

তাদের আগে কোলেস্টেরল বেশি থাকার কারণে তাদেরকে ভূতজাত করা হয়েছিল, তবে নতুন গবেষণায় দেখা যায় যে তারা পুরোপুরি নিরাপদ এবং স্বাস্থ্যবান (1 ট্রাস্টেড উত্স, 2 বিশ্বস্ত উত্স)।


8-10: মাংস
অপ্রসারণযোগ্য, হালকা রান্না করা মাংস হ'ল আপনি সবচেয়ে পুষ্টিকর খাবার খেতে পারেন।

8. পাতলা গরুর মাংস
চর্বিযুক্ত গরুর মাংস হ'ল প্রোটিনের সেরা উত্সগুলির মধ্যে একটি এবং অত্যন্ত জৈব উপলভ্য লোহার দ্বারা লোড। আপনি যদি কম কার্ব ডায়েটে থাকেন তবে ফ্যাটি কাট নির্বাচন করা ভাল।

9. চিকেন স্তন
মুরগির স্তনে ফ্যাট এবং ক্যালোরি কম থাকে তবে প্রোটিনের পরিমাণ অত্যন্ত বেশি। এটি অনেক পুষ্টির এক দুর্দান্ত উত্স। আবার, যদি আপনি এতগুলি শর্করা না খাচ্ছেন তবে মুরগির ফ্যাটযুক্ত কাটাগুলি নির্দ্বিধায় খেতে দ্বিধা বোধ করুন।

10. মেষশাবক
ল্যাম্বগুলি সাধারণত ঘাস খাওয়ানো হয় এবং তাদের মাংস ওমেগা 3 ফ্যাটি অ্যাসিডে বেশি থাকে।

11-15: বাদাম এবং বীজ
চর্বি ও ক্যালোরি বেশি থাকা সত্ত্বেও বাদাম এবং বীজগুলি আপনাকে ওজন কমাতে সহায়তা করতে পারে (3 টি বিশ্বাসযোগ্য উত্স, 4 বিশ্বাসযোগ্য উত্স)।

এই খাবারগুলি ক্রাঙ্কি, ভরাট এবং গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টির সাথে লোডযুক্ত যা ম্যাগনেসিয়াম এবং ভিটামিন ই সহ অনেক লোক পর্যাপ্ত পরিমাণে পায় না including

তাদের প্রায় কোনও প্রস্তুতিরও প্রয়োজন নেই, তাই তারা আপনার রুটিনে যুক্ত করা সহজ।

11. বাদাম
বাদাম ভিটামিন ই, অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস, ম্যাগনেসিয়াম এবং ফাইবারযুক্ত একটি জনপ্রিয় বাদাম। অধ্যয়নগুলি দেখায় যে বাদাম আপনাকে ওজন হ্রাস করতে এবং বিপাকের স্বাস্থ্যের উন্নতি করতে সহায়তা করতে পারে (5 বিশ্বস্ত উত্স)।

12. চিয়া বীজ
চিয়া বীজ গ্রহের সবচেয়ে পুষ্টিকর ঘন খাবারগুলির মধ্যে একটি। একটি এক আউন্স (২৮ গ্রাম) ১১ গ্রাম ফাইবার এবং উল্লেখযোগ্য পরিমাণে ম্যাগনেসিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, ক্যালসিয়াম এবং অন্যান্য বিভিন্ন পুষ্টির প্যাক করে।

13. নারকেল
নারকেলগুলি ফাইবার এবং শক্তিশালী ফ্যাটি অ্যাসিড দ্বারা লোড করা হয় যার নাম মিডিয়াম-চেইন ট্রাইগ্লিসারাইডস (এমসিটি)।

14. ম্যাকাদামিয়া বাদাম
ম্যাকডামিয়া বাদাম খুব সুস্বাদু। এগুলি মনস্যাচুরেটেড ফ্যাটগুলির চেয়ে অনেক বেশি এবং অন্যান্য বাদামের চেয়ে ওমেগা -6 ফ্যাটি অ্যাসিডে কম।

15. আখরোট
আখরোট অত্যন্ত পুষ্টিকর এবং ফাইবার এবং বিভিন্ন ভিটামিন এবং খনিজগুলি দিয়ে বোঝায়।

16-25: শাকসবজি
ক্যালোরির জন্য ক্যালোরি, শাকসবজি বিশ্বের পুষ্টির অন্যতম ঘন উত্স।

এখানে বিস্তৃত বিভিন্ন উপলভ্য রয়েছে এবং প্রতিদিন বিভিন্ন ধরণের খাবার খাওয়া ভাল।

16. অ্যাসপারাগাস
অ্যাসপারাগাস একটি জনপ্রিয় সবজি। এটি কার্বস এবং ক্যালোরি উভয়ইতে কম তবে ভিটামিন কে দিয়ে লোড

17. বেল মরিচ
বেল মরিচ লাল, হলুদ এবং সবুজ সহ বেশ কয়েকটি রঙে আসে। এগুলি ক্রাঞ্চি এবং মিষ্টি পাশাপাশি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং ভিটামিন সি এর দুর্দান্ত উত্স

18. ব্রোকলি
ব্রোকলি হ'ল ক্রুশিয়াস জাতীয় উদ্ভিজ্জ কাঁচা এবং রান্না উভয়ই। এটি ফাইবার এবং ভিটামিন সি এবং কে এর উত্স একটি উত্স এবং অন্যান্য শাকসব্জির তুলনায় প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন রয়েছে।

19. গাজর
গাজর একটি জনপ্রিয় মূল সবজি। এগুলি অত্যন্ত কুঁচকানো এবং ফাইবার এবং ভিটামিন কে এর মতো পুষ্টিতে ভরপুর are

ক্যারোটিন অ্যান্টিঅক্সিডেন্টগুলিতেও গাজর খুব বেশি, যার অসংখ্য সুবিধা রয়েছে।

20. ফুলকপি
ফুলকপি একটি খুব বহুমুখী ক্রুশিয়াস উদ্ভিজ্জ শাক। এটি বেশ কয়েকটি স্বাস্থ্যকর খাবার তৈরিতে ব্যবহার করা যেতে পারে - এবং এটি নিজেও স্বাদ গ্রহণ করে।

21. শসা
শসা পৃথিবীর অন্যতম জনপ্রিয় শাকসব্জি। এগুলি কার্বস এবং ক্যালোরি উভয়ই খুব কম, বেশিরভাগ জল থাকে। তবে, তারা


(বাংলায় আনুবাদ)


সংক্ষিপ্ত বিবরণঃ 

মুখের ছোট লালা গ্রন্থিগুলি নরম টিস্যুতে ফুটো হওয়ার কারণে সাধারণতঃ আঘাত (ট্রমা) বা বাঁধা হয়ে থাকে বলে মুখের শ্লেষ্মা হ'ল ঠোঁট বা মুখের আস্তরণের (মূকোষ) ফোলাজনিত ক্ষতিকারক, তরলযুক্ত (সিস্টের মতো) ফোলাভাব is গ্রন্থির অনুরূপ ক্ষত, শ্লেষ্মা-ধরে রাখার সিস্টটি গ্রন্থির লালা বাধা এবং ব্যাকআপ থেকে ঘটে।

ঝুঁকির মধ্যে কে? ঃ

বাচ্চাদের বা অল্প বয়স্কদের মধ্যে সর্বাধিক সাধারণভাবে মিউকোসিল দেখা যায়। ট্রমা বা ঠোঁট কামড়ানোর ইতিহাস থাকতে পারে। একই রকম প্রদর্শিত মিউকাস-রিটেনশন সিস্টগুলি প্রায়শই বয়স্ক প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে এবং পূর্বের ট্রমাটির কোনও ইতিহাস ছাড়াই ঘটে occur টার্টার-কন্ট্রোল টুথপেস্ট কিছু শ্লেষ্মার মধ্যে কারণ হতে পারে।

লক্ষণ ও উপসর্গ ঃ
মিউকোসিলগুলি সাধারণত নীচের ঠোঁট এবং গালের অভ্যন্তরের অংশে ঘটে কারণ এগুলি ঘন ঘন ঘন ঘন ঘন ঘন ঘন ঘন ঘন ঘন ঘন ঘন ঘন ঘন ঘন ঘন ঘন ঘন ঘন ঘন ঘন ঘন ঘন ঘন ঘন ঘন ঘন ঘন ঘন ঘন ঘন ঘন ঘন ঘন ঘন ঘন ঘন ঘন ঘন ঘন ঘন ঘন ঘন ঘন ঘন ঘন ঘন ঘন areas একটি মিউকোসিল সাধারণত একটি হালকা নীল বা সাধারণ ত্বকের বর্ণযুক্ত একক বাম্প হয়, আকারের পরিবর্তে এটি 1/2 থেকে 1 ইঞ্চি অবধি থাকে এবং এটি নরম এবং ব্যথাহীন থাকে। একটি মিউকোসিল হঠাৎ প্রদর্শিত হতে পারে, যখন শ্লেষ্মা ধরে রাখার সিস্টটি ধীরে ধীরে বড় হতে পারে।

স্ব-যত্নের নির্দেশিকাঃ

অনেক মিউকোসিল 3-6 সপ্তাহের মধ্যে নিজেরাই চলে যাবে। শ্লেষ্মা-ধরে রাখার সিস্টগুলি প্রায়শই দীর্ঘস্থায়ী হয়। এই ক্ষতগুলি উপস্থিত থাকলে ঠোঁট বা গালে চিবানো বা চুষার অভ্যাস এড়িয়ে চলুন।


কখন মেডিকেল কেয়ার সন্ধান করবেন ?

যদি ডাকটি 2 মাসেরও বেশি সময় ধরে অব্যাহত থাকে বা বাড়তে থাকে, রক্তক্ষরণ হয়, কথা বলতে বা চিবানোতে হস্তক্ষেপ করে বা বেদনাদায়ক হয় তবে আপনার ডাক্তারকে দেখুন See

আপনার চিকিত্সক চিকিত্সা পরামর্শ দিতে পারে
যদি ডাক্তার নির্ণয়ের বিষয়ে নিশ্চিত না হন তবে একটি বায়োপসি করা যেতে পারে। ক্ষুদ্র অপারেশনের ক্ষত দূর করার পরামর্শ দেওয়া যেতে পারে।




লক্ষণ ঃ
মিউকোসিলগুলি প্রায়শই আপনার নীচের ঠোঁটের ভিতরে, আপনার মাড়িতে, আপনার মুখের ছাদে বা আপনার জিহ্বার নীচে প্রদর্শিত হয়। মুখের মেঝেতে তাদের রানুলস বলা হয়। এগুলি বিরল, তবে এগুলি বড় হওয়ায় তারা বক্তৃতা, চিবানো এবং গিলতে আরও সমস্যা তৈরি করতে পারে।

মিউকোসিলগুলির এই বৈশিষ্ট্যগুলি থাকতে পারে:

অস্থাবর এবং বেদনাহীন
নরম, গোলাকার, গম্বুজ আকারের
মুক্তা বা অর্ধ-পরিষ্কার পৃষ্ঠ বা বর্ণের বর্ণীল নীল
ব্যাস 2 থেকে 10 মিলিমিটার

চিকিৎসা ঃ
মিউকোসিলগুলি প্রায়শই চিকিত্সা ছাড়াই চলে যায়। তবে কখনও কখনও তারা বড় হয়। এগুলি খোলার বা তাদের সাথে নিজেকে আচরণ করার চেষ্টা করবেন না। বিশেষজ্ঞের পরামর্শের জন্য আপনার চিকিত্সক, আপনার সন্তানের শিশু বিশেষজ্ঞ বা আপনার দাঁতের বিশেষজ্ঞকে দেখুন See

সাধারণত চিকিত্সক বা দাঁতের চিকিত্সাবিদ এই দুটি ধরণের চিকিত্সা ব্যবহার করেন:

গ্রন্থি অপসারণ। দন্ত চিকিত্সক বা ডাক্তার লালা গ্রন্থি অপসারণ করতে একটি স্কেল্পেল বা লেজার ব্যবহার করতে পারেন। স্থানীয় অ্যানেশেসিয়া ব্যথা স্তব্ধ করে তোলে।

গঠনের জন্য একটি নতুন নালীকে সহায়তা করা। মার্সুপায়ালাইজেশন বলা হয়, এই কৌশলটি একটি নতুন নালী ফর্মকে সহায়তা করে এবং লালা লালা গ্রন্থি ছেড়ে দিতে সহায়তা করে।

Overview


A mucocele is a small, painless, blister-like lesion that occurs on the inner lips or floor of the mouth. The blister is usually filled with clear fluid and is caused by damage to the inner, wetter skin of the lip or mouth (mucosal surface). The damage is often caused by braces, lip biting, or other injury to the mucosal surface. Mucoceles may go away on their own or may be treated by your doctor by being carefully cut out.

Who's at risk?

Mucoceles are common in anyone experiences injury to the mouth. They often occur in children or young adults who are lip biters or who wear braces. A similar lesion, called a mucus-retention cyst is more common in older adults who have not had any injury to their lips. Unlike mucoceles, these mucus-retention cysts tend to look less like fluid-filled blisters and more like small bumps. They are also painless and noncancerous (benign).

Signs and Symptoms

Mucoceles usually occur on the lower lip and inner part of the cheek, as these are frequent areas of injury in the mouth, but they can occur anywhere inside the mouth. A mucocele typically is a single bump with a slight bluish or normal skin color, varying in size from 1/2 to 1 inch, and it is soft and painless. A mucocele may appear suddenly, while a mucus-retention cyst may slowly enlarge.

Self-Care Guidelines

Many mucoceles will go away on their own in 3–6 weeks. Mucus-retention cysts often last longer. Avoid the habit of chewing or sucking on the lips or cheek when these lesions are present.
When to Seek Medical Care
See your doctor if the bump persists for over 2 months or if it is growing, bleeding, interfering with talking or chewing, or painful.

Treatments Your Physician May Prescribe

If the doctor is not sure of the diagnosis, a biopsy may be done. Minor surgery may be suggested to remove the lesion.
Newer Posts Home

Search This Blog

POPULAR POSTS

Categories

  • Eye Care 1
  • Health Tips 13
  • Healthy Food 2
  • Kids Food 2
  • Kids Health 9
  • Mental Tips 1
Powered by Blogger
  • March 20223
  • May 20211
  • March 20217
  • February 20211
  • January 20216
  • December 20201
  • July 20209

Page-Admin: Mr. Raju Ahmed

Designed by OddThemes | Distributed by Gooyaabi Templates